রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে পরিচালিত সামরিক প্রচারণা সেখানকার সমাজকে বিদ্বেষী করে তুলেছে।
সমাজের অভ্যন্তরে ছড়িয়ে পড়া সেই বিদ্বেষকেই রোহিঙ্গা নিধনযজ্ঞের কারণ বলে মনে করছে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল।
সংস্থাটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশ্বনেতাদের বিদ্বেষপ্রসূত প্রচারণা মিয়ানমারের মতো করেই বিশ্বজুড়ে সংখ্যালঘুদের প্রতি বৈষম্য উসকে দিয়েছে।
১৫৯ দেশের তথ্যকে ভিত্তি করে তৈরি করা মিয়ানমারের সংকট এবং রোহিঙ্গা নিধনযজ্ঞকে সমাজে বাড়তে থাকা বিদ্বেষের ফলাফল আখ্যা দিয়েছে যুক্তরাজ্যভিত্তিক মানবাধিকার সংগঠন অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল।
বিশ্বজুড়ে মানবাধিকার প্রশ্নে নেতৃত্বের শূন্যতাকেও সংকটের কারণ মনে করছে তারা।
গত বছর ২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট রাখাইনে কয়েকটি নিরাপত্তা চৌকিতে হামলার পর পূর্ব পরিকল্পিত ও কাঠামোবদ্ধ সহিংসতা জোরালো করে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী।
নিরাপত্তা চৌকিতে আরসার হামলাকে মিয়ানমারের পক্ষ থেকে রোহিঙ্গাবিরোধী অভিযানের কারণ বলা হলেও জাতিসংঘের এক সাম্প্রতিক প্রতিবেদন অনুযায়ী রাখাইন থেকে রোহিঙ্গাদের তাড়িয়ে দিতে এবং তাদের ফেরার সমস্ত পথ বন্ধ করতে আরসার হামলার আগে থেকেই পরিকল্পিত সেনা অভিযান শুরু হয়েছিল।