লন্ডনে কমনওয়েলথ শীর্ষ সম্মেলনে সদস্য দেশগুলোর পরিবর্তনশীল চাহিদা ও প্রত্যাশা পূরণে বিভিন্ন সংস্থার ভূমিকা ও কার্যক্রম পুনর্গঠনের প্রস্তাব তুলেছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। একইসঙ্গে সংস্থাটির সচিবালয়ের আমূল সংস্কারের ওপরও জোর দিয়েছেন তিনি।
বাকিংহাম প্যালেসে কমনওয়েলথ সরকার প্রধানদের শীর্ষ সম্মেলনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের পর ল্যানক্যাস্টার হাউজে আয়োজিত অধিবেশনে তিনি এ কথা বলেন।
শেখ হাসিনা বলেন, কমনওয়েলথ সচিবালয়ের উচিত সংস্থাটির ঘোষিত কানেকটিভিটি, সাইবার নিরাপত্তা, সুশাসনের বিষয়ে একটি অ্যাকশন প্ল্যান তৈরি করা। নাজুক দেশের পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার ক্ষেত্রে কমনওয়েলথ মিনিস্ট্রিয়াল অ্যাকশন গ্রুপের ভূমিকা স্পর্শকাতর।
গণতন্ত্র, সুশাসন ও আইনের পক্ষে থাকার ওপর গুরুত্বারোপ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এগুলো টেকসই শান্তি ও স্থিতিশীলতার মূল ভিত্তি।
একইসঙ্গে সদস্য দেশগুলোর বাণিজ্য, অর্থনীতি ও টেকসই উন্নয়নের দিকে কমনওয়েলথের মনোযোগ প্রত্যাশা করেন শেখ হাসিনা।
এদিকে, রোহিঙ্গা সংকট মোকাবেলায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বলিষ্ট নেতৃত্বের উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করেছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো। কমনওয়েলথ মহাসচিবের প্রতিবেদন উপস্থাপন শেষে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী থরেসা মে আলোচনার জন্য ফ্লোর উন্মুক্ত করে দেওয়ার পর জাস্টিন ট্রুডো ফ্লোর নিয়ে বলেন, কমনওয়েলথ নেতাদের অবশ্যই এতে সমর্থন দিতে হবে।
কমনওয়েলথ সরকার প্রধানদের শীর্ষ সম্মেলনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীসহ ৫৩টি দেশের সরকার ও রাষ্ট্রপ্রধানরা অংশ নেন।
বৃহস্পতিবার স্থানীয় সকাল ১০টায় রানীর বাসভবন বাকিংহাম প্যালেসে রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথ এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। সম্মেলন ঘিরে প্যালেসের বাইরের দিকটা সেজেছে রাজকীয় সাজে।