সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদ উত্তর কোরিয়া সফরে যাচ্ছেন।
দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা কেসিএনএ এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
তাদের দাবি গত বুধবার আসাদ উত্তর কোরিয়ার নতুন রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বৈঠকের সময় বলেন, আমি কিম জং-উনের সঙ্গে দেখা করতে উত্তর কোরিয়া যাচ্ছি।
গত ২০১১ সালে কিম জং-উন ক্ষমতা গ্রহণের পর এটাই হবে বিদেশি কোনো রাষ্ট্র নায়কের প্রথম উত্তর কোরিয়ার সফর।
তবে কবে নাগাদ আসাদ উত্তর কোরিয়া সফরে আসতে পারেন সে বিষয়ে কেসিএনএয়ের প্রতিবেদনে কিছু জানানো হয়নি।
সূত্র বিবিসি।
সিরিয়ার পক্ষ থেকে সফরের বিষয়ে এখনও কিছু জানানো হয়নি।
বিশ্বের সঙ্গে প্রায় বিচ্ছিন্ন উত্তর কোরিয়ার অল্প কয়েকটি মিত্র দেশের মধ্যে সিরিয়া একটি। ১৯৬৬ সালে উত্তর কোরিয়া ও সিরিয়ার মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপিত হয়। ১৯৭৩ সালে আরব-ইসরায়েল যুদ্ধে উত্তর কোরিয়া সেনা ও অস্ত্র পাঠয়েছিল।
অভিযোগ রয়েছে, দুই দেশ রাসায়নিক অস্ত্র বিষয়ে পরস্পরকে সহায়তা করে। যদিও উভয় দেশই এই অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে।
বিচ্ছিন্নতা এবং নানা ধরণের নিষেধাজ্ঞার কারণে উত্তর কোরিয়ার অর্থনৈতিক অবস্থা অত্যন্ত নাজুক হয়ে পড়েছে। এ অবস্থায় কূটনৈতিক তৎপরাত বাড়াতে সম্প্রতি বেশ কিছু উদ্যোগ নিয়েছেন কিম।
গত মাসে হঠাৎ করেই তিনি চীন সফরে যান। এছাড়া প্রতিবেশী দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে দীর্ঘদিনের বৈরিতার অবসান ঘটাতে দুই দেশের শীর্ষ নেতা এরই মধ্যে দুইবার বৈঠক করেছেন। এ বছর কিম রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে সম্মেলন করবেন বলেও শোনা যাচ্ছে।
আগামী ১২ জুন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে কিমের নজিরবিহীন সম্মেলন হওয়ার কথা রয়েছে। এখন আন্তর্জাতিক বিশ্বের নজর সিঙ্গাপুরের ওই সম্মেলনের দিকে।
সিঙ্গাপুরের সম্মেলনে কিম সফলতা পাবেন বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন আসাদ।
তিনি বলেন, আমি নিশ্চিত, কিমের চূড়ান্ত জয় হবেই।