রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে মিয়ানমার নতুন অজুহাত দিচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, সব প্রস্তুতি থাকা স্বত্বেও মিয়ানমারের বাহানায় রোহিঙ্হা প্রত্যাবাসন বিলম্বিত হচ্ছে। রয়টার্সকে দেয়া এক সাক্ষাতকারে প্রধানমন্ত্রী একথা বলেন।
বাংলাদেশকে বর্তমানে রোহিঙ্গাদের বাড়তি বোঝা সামলাতে হচ্ছে বলেও আরেক আয়োজনে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্বাস্থ্য-শিক্ষাসহ দেশ অর্থনৈতিকভাবে এগুলেও রোহিঙ্গাদের বোঝা সামলাতে হচ্ছে বাংলাদেশকে।
জাতিসংঘের মূল অধিবেশনের ফাঁকে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের সাইডলাইন বৈঠকে, মিয়ানমারের ওপর চাপ বাড়াতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানালেন তিনি।
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৭৩তম অধিবেশনের সাইড লাইনে মঙ্গলবার ওয়ার্ল্ড ইকনোমিক ফোরাম আয়োজিত "চতুর্থ শিল্প বিপ্লবে টেকসই উন্নয়ন" শীর্ষক সভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে বর্তমান সরকার নিজস্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ করে যাচ্ছে।
তিনি আরো বলেন, গত ১০ বছরে অর্থনৈতিকভাবে বাংলাদেশ অনেক ওগুলেও, মিয়ানমার থেকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের সাম্প্রতিক সংকট বাংলাদেশকে ভোগাচ্ছে।
রোহিঙ্গা সংকট তুলে ধরে তিনি বলেন, ১১ লাখ রোহিঙ্গার ভরণ-পোষণ দেশের জন্য অতিরিক্ত চাপ হয়ে যাচ্ছে। তবে রোহিঙ্গা ইস্যুতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সমর্থন ও সহযোগিতায় কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী।
অনুষ্ঠানে নেদারল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী মার্ক রুট প্রায় রোহিঙ্গা আশ্রয় দেয়ার জন্য অভিনন্দন জানান শেখ হাসিনাকে।
এদিকে, বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাতকারেও রোহিঙ্গা সংকটের কথা তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। অভিযোগ করেন, রোহিঙ্গাদের দেশে ফিরিয়ে না নেয়ার জন্য নতুন নতুন অজুহাত দেখাচ্ছে মিয়ানমার সরকার।
মিয়ানমারের সঙ্গে বাংলাদেশ কোন দ্বন্দ্বে জড়াতে চায় না বলেও এসময় উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তাই রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে বিশ্ব সম্প্রদায়কে মিয়ানমারের ওপর চাপ প্রয়োগ করার আহ্বান জানান।