রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ও মিয়ানমারকে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন অনুসরণ করার তাগিদ দিয়েছে আন্তর্জাতিক মহল।
মার্কিন সিনেটর এড মার্কি বলেছেন, জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থার সঙ্গে কাজ করে রোহিঙ্গাদের স্বেচ্ছা প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে হবে। মিয়ানমারে ফিরতে রোহিঙ্গাদের অসম্মতির প্রেক্ষাপটে প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া স্থগিত রাখায় বাংলাদেশকে সমর্থন করেন তিনি।
এদিকে, বাংলাদেশ আগেই জানিয়েছে, কোনোভাবেই জোর করে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নয়।
বাংলাদেশ ও মিয়ানমার সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার ৩০ পরিবারের দেড়শ জন রোহিঙ্গার মিয়ানমারে ফেরত যাওয়ার কথা ছিল। তবে নিরাপত্তাসহ বিভিন্ন কারণ দেখিয়ে ফিরে যেতে অসম্মতি প্রকাশ করে রোহিঙ্গারা।
এ পরিস্থিতিতে এক ব্রিফিংয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এএইচ মাহমুদ আলী বলেন, যারা চাইবে কেবল তাদের ফেরত পাঠানো হবে। জোর করে ফেরত পাঠানোর জন্য রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়া হয়নি।
বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন নিয়ে আগের পরিকল্পনা থেকে সরে আসার সিদ্ধান্তকে সমর্থন জানান মার্কিন সিনেটর এড মার্কি বলেন, বাংলাদেশ ও মিয়ানমারকে প্রত্যাবাসনের ক্ষেত্রে অবশ্যই আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন অনুসরণ এবং জাতিসংঘ শরণার্থী সংস্থার সঙ্গে কাজ করে রোহিঙ্গাদের স্বেচ্ছা প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে হবে।
এদিকে, আন্তর্জাতিক উন্নয়ন বিষয়ক মার্কিন সহায়তা সংস্থা ইউএসএআইডির প্রশাসক মার্ক গ্রিন বলেন, রোহিঙ্গা শিবিরে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তৈরির চেষ্টা করছে যুক্তরাষ্ট্র। যেন শিক্ষা নিয়ে শিশুরা ভালোভাবে দেশে ফিরতে পারে।