উইকিলিকসের প্রতিষ্ঠাতা অ্যাসাঞ্জের বিরুদ্ধে লন্ডনে ইকুয়েডর দূতাবাসকে গুপ্তচরবৃত্তির কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহারের অভিযোগ করে ইকুয়েডরিয়ান প্রেসিডেন্ট লেনিন মরেনো বলেন, ইকুয়েডর দূতাবাস অ্যাসাঞ্জের আশ্রয় বাতিল করার সিদ্ধান্ত অন্য কোনো দেশের কাছ থেকে প্রভাবিত হয়ে করা হয়নি।
অ্যাসাঞ্জের বারবার রীতিনীতি লঙ্ঘনের কারণেই এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে জানান লেনিন। তবে অ্যাসাঞ্জের আইনজীবী বলেন, দূতাবাসে ডেকে এনে উইকিলিকস প্রতিষ্ঠাতাকে ব্রিটিশ পুলিশের হাতে তুলে দেয়ার ঘটনা চাপা দিতেই গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগ আনছেন লেনিন।
এছাড়া জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জকে সুইডেনে ফেরত পাঠানো হলেও তাকে যেন যুক্তরাষ্ট্রে প্রত্যার্পণ করা না হয় সে নিশ্চয়তা চাইবেন বলেও জানান তার আইনজীবী।
ইকুয়েডর অ্যাসাঞ্জ রাজনৈতিক আশ্রয় বাতিল করে দিলে বৃহস্পতিবার ওই দূতাবাসের ভেতরেই গ্রেপ্তার হন উইকিলিকস প্রতিষ্ঠাতা যৌন নিপীড়নসহ নানা অভিযোগ মাথায় নিয়ে প্রায় ৭ বছর ইকুয়েডর দূতাবাসের ভেতরেই রাজনৈতিক আশ্রয়ে ছিলেন তিনি।