অভিবাসী পরিবার আটকাদেশ স্থগিত চেয়ে যুক্তরাষ্ট্রে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। অভিবাসীদের পক্ষে অবস্থান নিয়ে সোমবার মামলা টুকে দিয়েছেন ১৯ রাজ্য ও ডিস্ট্রিক্ট অব কলাম্বিয়ার অ্যাটর্নি জেনারেলরা।
অভিবাসীদের অনির্দিষ্ট সময় ধরে আটকে রাখার নতুন এক নিয়ম জারি করতে চলেছে ট্রাম্প প্রশাসন। আগামী অক্টোবর থেকেই আইনটি কার্যকর হবে বলে সরকারের পক্ষ থেকে গত শুক্রবার জানানো হয়।
বিবিসি জানায়, ফেডারেল সরকারের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে প্রথম মামলাটি দায়ের করা হয় লস অ্যাঞ্জেলসের ডিস্ট্রিক্ট কোর্টে। ক্যালিফোর্নিয়ার অ্যাটর্নি জেনারেল জেভিয়ার বেসেরা এ বিষয়ে বলেন, ট্রাম্পের নতুন এ আইন অনেক শিশুর নিরাপত্তা ঝুঁকির মুখে ফেলবে।
বহু বছরের পুরনো চুক্তিটি যেটি বেআইনি আটক রোধ করে অভিবাসী শিশুদের নিরাপত্তা দিতো এখন তা বাতিলের চেষ্টা চলছে। এ বিষয়ে ১৯৯৭ সালে হওয়া চুক্তিতে বলা হয়েছে সর্বোচ্চ ২০ দিন অভিবাসী শিশুদের আটকে রাখা যাবে। তবে নতুন আইনে আটকের ক্ষেত্রে কোনো সময়সীমা কার্যকর থাকছে না।
ট্রাম্প প্রশাসনের মতে, অভিবাসীদের আটকের ব্যাপারে শিথিলতার জন্যই অবৈধ অভিবাসী নিয়ন্ত্রণে আনা যাচ্ছে না। শিশুদের কারণে অভিবাসী আদালতের সহানুভূতি পাচ্ছে অভিভাবকরা।
তবে অভিবাসীদের দীর্ঘসময় ধরে আটকে রাখার বিষয়টি আইন করলেও তা বাস্তবায়ন সহজ হবে না। কারণ মার্কিন অভিবাসন ও কাস্টমস সংস্থার মাত্র তিনি আটক কেন্দ্র রয়েছে। দুটো টেক্সাসে ও অন্যটি পেনসিলভানিয়া।
যেগুলো মাত্র ২৫শ’ থেকে তিন হাজার শয্যাবিশিষ্ট। বিপরীতে যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণাঞ্চলের সীমান্ত থেকেই গত মাসে আটক করা হয় ৪২ হাজার পরিবারকে। যাদের বেশিরভাগই মধ্য-আমেরিকার দেশগুলো থেকে এসেছে যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসনের জন্য।