ভারতে চলমান নাগরিকত্ব আইনবিরোধী বিক্ষোভে শুক্রবার উত্তরপ্রদেশে পুলিশের সাথে সংঘর্ষে ৬ জন নিহত হয়েছে বলে জানায় ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি। এর আগে প্রদেশটিতে ইন্টারনেট সেবা বন্ধ করে দেয়া হয় এবং ১৪৪ ধারা জারি করে ৪ জন একসাথে রাস্তায় বের না হতে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছিল।
হাজারো মানুষের বিক্ষোভে গুলি চালালে সেখানে আরো অসংখ্য মানুষ গুলিবিদ্ধ হয় যাদের মধ্যে ৯ জনকে আশংকাজনক অবস্থায় কানপুর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তবে রাজ্যটির পুলিশ কর্তৃপক্ষ কোন ধরনের গুলি চালানোর কথা অস্বিকার করেছে।
বিক্ষোভকারীরা হালিম মুসলিম কলেজ থেকে ফুলবাগ পর্যন্ত ৪ কিলোমিটার রাস্তা জুরে বিশাল এক মিছিল করে। এ সময কিছু বিক্ষোভকারী ভাংচুরে লিপ্ত হয় এবং পুলিশের প্রতি পাথর ছুড়তে থাকে। পরে পুলিশ লাঠি চার্জ করলে ব্যাপক সংঘাত শুরু হয়। ফিরোজাবাদে জুমার নামাজের পর বিক্ষোভেও সংঘাতের খবর পাওয়া গেছে। পরে সেখানে ব্যাপক পুলিশ মোতায়েন করা হয়।
শুক্রবার সন্ধ্যায় কংগ্রেসনেত্রী সোনিয়া গাঁন্ধি এক বিবৃতিতে নতুন এ নাগরিকত্ব আইনকে ’বৈষম্যমূলক’ উল্লেখ করে বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে ’বিক্ষোভ দমনে বর্বর শক্তি প্রয়োগ’ করার অভিযোগ তুলেন।
পুরাতন দিল্লিতে বিক্ষোভকারীরা মিছিলে ভারতীয় পতাকা হাতে নিয়ে ‘ সংবিধান রক্ষা কর’ লেখা ব্যানার নিয়ে হাজির হয়ে জামা মসজিদ থেকে বিক্ষোভ শুরু করে তবে দিল্লি গেটে তাদেরকে আটকে দেয়ার চেষ্টা করে। সেখানে ব্যাপক জনতা সেসময় পুলিসের সাথে সংঘাতে জড়ায়।