ইরাকে নিহত ইরানের শীর্ষ জেনারেল কাসেম সোলাইমানি ও কমান্ডার আবু মাহদি আল-মুহান্দিসকে হত্যার পর বিপুল মানুষের একটি শোকমিছিল শেষ হওয়ার কয়েক ঘণ্টা পর কয়েকটি বিস্ফোরণে বাগদাদ কেঁপে উঠেছে।
সুরক্ষিত গ্রিনজোনে মার্কিন দূতাবাসের কাছেই একটি রকেট আঘাত হেনেছে। এছাড়া রাজধানীতে বালাদ বিমান ঘাঁটিতে বেশ কয়েকটি বিস্ফোরণ ঘটেছে। এই ঘাঁটির কাছেই মার্কিন বাহিনীর বসতি রয়েছে।
শনিবার সকালে ওই হামলায় নিহত ১০ জনের লাশ নিয়ে বাগদাদে শোক মিছিল হয়। মিছিলে যোগ দেয়া লোকজনের মধ্যে আল-মুহান্দিসের পিএমএফের উর্দিপরিহিত অনেক সদস্যও ছিলেন।
অনেকের হাতে সোলাইমানি ও মুহান্দিসের ছবি দেখা যায়। মিছিলে থাকা সাঁজোয়া যানগুলোতেও তাদের ছবি শোভা পাচ্ছিল। শোক মিছিল এগিয়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সমবেত জনতা শ্লোগান তোলে, আমেরিকা নিপাত যাক।
ইরাকের সেনাবাহিনীর বিবৃতিতে বলা হয়, বাগদাদের সেলিব্রেশন স্কয়ার ও জাদ্রিয়া এলাকা এবং সালাহউদ্দিন প্রদেশের বালাদ বিমান ঘাঁটি লক্ষ্য করে বেশ কয়েকটি রকেট নিক্ষেপ করা হয়েছে। এতে কোনো প্রাণহানি হয়নি। আরও তথ্য আসছে।
নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট দুইজন রয়টার্সকে জানিয়েছেন, বাগদাদের ৮০ কিলোমিটার উত্তরের বালাদ বিমান ঘাঁটিতে দুটি কাতিউশা রকেট নিক্ষিপ্ত হয়েছে।
আর বাগদাদের জাদ্রিয়া এলাকায় একটি মর্টার আঘাত হেনেছে এবং তাতে পাঁচজন আহত হয়েছেন বলে পুলিশ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
এক বিবৃতিতে ন্যাটো মুখপাত্র ডেইলান হোয়াইট বলেন, আমাদের কর্মীদের নিরাপত্তার বিষয়টি সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে। পূর্ব সতর্কতামূলক সব পদক্ষেপই আমরা নিচ্ছি।