ফিলিস্তিনের ইসলামি আন্দোলনের নেতা শেখ রায়েদ সালাহকে ‘সন্ত্রাসবাদে উসকানির’ অভিযোগে ২৮ মাসের কারাদণ্ড দিয়েছে ইসরায়েলের একটি আদালত। ২০১৭ সালের জুলাইয়ে ফিলিস্তিনিদের হামলায় ইসরায়েলে দুই পুলিশ সদস্য নিহত হওয়ার পর তার দেয়া বক্তৃতাকে অভিযোগ হিসেবে দেখিয়ে এ দণ্ড দিল ইসরায়েল কর্তৃপক্ষ।
মিডল ইস্ট মনিটরের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ফিলিস্তিনি ইসলামী আন্দোলনের ৬১ বছর বয়সী এই নেতা ইতোমধ্যে ইসরায়েলে ১১ মাস জেল খেটেছেন। এখন তাকে আরও ১৭ মাস কারাভোগ করতে হবে। তবে সালাহ তার বিরুদ্ধে ওঠা এই অভিযোগ প্রত্যাখান ছাড়াও তার বিরুদ্ধে মামলা ‘সত্য থেকে অনেক দূরে’ বলে অভিহিত করেন।
ইসরায়েলের বিচারক শোলমো বাঞ্জো তার রায়ে বলেছেন, সালাহ এক ‘ভয়ঙ্কর’ ব্যক্তি। শেখ রায়েদ সালাহ এর আগেও এসব করেন। তার স্পষ্ট আদর্শিক উদ্দেশ্যের আলোকে, সময়ের সাথে সাথে তার এ সংক্রান্ত কার্যকলাপ আরও বেড়েছে। অতীতের মতো এখনও তিনি তার বক্তব্যের মাধ্যমে সন্ত্রাসবাদে উসকানি দিচ্ছেন।
আল-আকসা মসজিদের ওই ঘটনার পর ২০১৭ সালের আগস্টে উত্তর ইসরায়েলের উম আল ফাহম বাড়ি থেকে শেখ রায়েদ সালাহকে গ্রেফতার করে ইসরায়েলে কর্তৃপক্ষ। তখনও তার বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবাদে উসকানির অভিযোগ ওঠেনি। এরপর ইসরায়েল যখন তার বিরুদ্ধে এই অভিযোগ তোলে তখন বলেন, তার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ তোলা হচ্ছে।