বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা সাড়ে পাঁচ কোটি ছাড়িয়েছে। যার এক-চতুর্থাংশ শুধু আমেরিকাতেই।
গত ২৪ ঘণ্টায় দেশটিতে কোভিড-১৯ আক্রান্ত হয়েছেন ১ লাখ ৫৭ হাজার ৮১ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ১ হাজার ২৬০ জন। এ নিয়ে দেশটিতে মোট মৃতের সংখ্যা ২ লাখ ৫১ হাজার ২৫৬ জন।
পাল্লা দিয়ে মৃত্যু বাড়ছে ব্রাজিল, ইতালি, মেক্সিকো এবং পোলান্ডে।
এর মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রের পরীক্ষামূলকভাবে বেশ কয়েকটি অঙ্গরাজ্যে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও অন্যান্য সেবা খুলে দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। তাতে করোনা পরিস্থিতির আরো অবনতি হতে পারে বলে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন বিশেষজ্ঞরা।
ইনস্টিটিউট ফর হেলথ মেট্রিকস এন্ড ইভ্যুলিউশান (আইএইচএমই) নতুন এক ঘোষণায় বলেছে, আগামী ১ মার্চ নাগাদ যুক্তরাষ্ট্রে করোনা সংক্রমণে মৃত্যু ৪ লাখ ৩৯ হাজারে দাঁড়াবে এবং প্রতিদিনের সর্বোচ্চ মৃত্যু মধ্য জানুয়ারি পর্যন্ত ২ হাজার ২শ’ হবে।
আইএইচএমই তাদের রিপোর্টে আরো বলেছে, মাস্কের ব্যবহার ৬৭ শতাংশ বেড়েছে। এটি আরো ৯৫ শতাংশ বাড়াতে পারলে ১ মার্চ নাগাদ ৬৮ হাজার জীবন বাঁচানো সম্ভব হতে পারে।
দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শুক্রবার বলেছেন, সাধারণ জনগণের জন্য এপ্রিলের প্রথম দিকে করোনার টিকা সহজলভ্য হবে।
জন্স হপকিন্স ইউনিভার্সিটির তথ্য মতে, যুক্তরাষ্ট্রে এ পর্যন্ত করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে ১ কোটি ৭ লাখ ২৭ হাজার।
যুক্তরাষ্ট্রের পর গত ২৪ ঘণ্টায় ল্যাটিন আমেরিকার দেশ ব্রাজিলে মারা গেছে ৭২৭ জন, ইতালিতে ৫৪৪, মেক্সিকোতে ৫৬৮, পোলান্ড ৫৪৮, ইরানে ৪৯১, ভারতে ৪৪৯, রাশিয়া ৪০০ ও ফ্রান্সে ৩৫৪ জন।
গত বছরের ডিসেম্বরে চীনের উহান শহর থেকে ছড়িয়ে পড়ে করোনাভাইরাস। বর্তমানে সারাবিশ্বে ৫ কোটি ৪৩ লাখ মানুষ এই ভাইরাসে আক্রান্ত। এর মধ্যে সুস্থ হয়েছে ৩ কোটি ৭৮ লাখের বেশি মানুষ।