সিঙ্গাপুরে রবিবার স্বাক্ষরিত হচ্ছে বিশ্বের বৃহত্তম মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি। আসিয়ান জোটের ১০টি দেশ ছাড়াও এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করছে চীন, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড। তবে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলোতে এই চুক্তিকে আখ্যায়িত করা হচ্ছে বিশ্ব বাণিজ্যে চীনা অভ্যুত্থান হিসেবে।
সিঙ্গাপুরে আসিয়ানের চলতি শীর্ষ বৈঠকের শেষ দিনে অর্থাৎ ১৫ই নভেম্বর রবিবার এই চুক্তিটি সম্পাদিত হওয়ার কথা রয়েছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, এটি বিশ্ব বাণিজ্যে একটি মৌলিক ও দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলবে।
এশিয়ার আরেক বৃহৎ অর্থনীতির দেশ ভারতেরও এই চুক্তিতে যোগ দেওয়ার কথা ছিল। তবে সস্তা চীনা পণ্য তাদের বাজার ছেয়ে যাবে এই ভয়ে গতবছর তারা আলোচনা থেকে বেরিয়ে যায়।
রিজিওনাল কম্প্রিহেনসিভ ইকোনমিক পার্টনারশিপ (আরসিইপি) নামে নতুন এই জোটের অর্থনীতির আয়তন বিশ্বের মোট জিডিপি-র ৩০ শতাংশ। ফলে, এই চুক্তি বিশ্বের সবচেয়ে বড় অবাধ বাণিজ্য এলাকা তৈরি করবে। যুক্তরাষ্ট্রম কানাডা ও মেক্সিকোর মধ্যে যে মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল রয়েছে সেটি বা ইউরোপীয় ইউনিয়নের চেয়েও এশিয়ার নতুন এই বাণিজ্য অঞ্চলটির পরিধি বড় হবে।
ব্যবসা বিষয়ক পরামর্শক সংস্থা আইএইচএস মারকিটের এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের প্রধান অর্থনীতিবিদ রাজিব বিশ্বাস। তার মতে, ‘এই অঞ্চলে বাণিজ্য ও বিনিয়োগের উদারীকরণে এই চুক্তি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অগ্রগতি। কেননা, আরসিইপি বিশ্বের বৃহত্তম বাণিজ্যিক অঞ্চলে পরিণত হবে।’