ইকুয়েডরের একটি কারাগারে বন্দীদের মধ্যে দাঙ্গায় অন্তত ৬৮ জন নিহত হয়েছে, আহত হয়েছে অন্তত ২৫ জন।
শনিবার ইকুয়েডরের প্রসিকিউটর কার্যালয় জানায়, শুক্রবার সন্ধ্যায় গুয়াকিল শহরের লিটোরাল পেনিটেনশিয়ারিতে দাঙ্গা শুরু হয়েছিল। কারা অভ্যন্তরে প্রবেশ করে পুলিশ কৌশলগত ইউনিট জানিয়েছে, সেখানে বন্দুক এবং বিস্ফোরক খুঁজে পাওয়া গেছে।
ইকুয়েডরের প্রেসিডেন্ট গুইলারমো ল্যাসো বলেছেন, তাঁর সরকার শুধু কারাগারই নয় ইকুয়েডরের মাদক পাচারকারীদের অঞ্চলেও নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করবে। গুইলারমো মাদক পাচারের বিষয়ে যথাযথ পদক্ষেপ নিতে আগের সরকারের ব্যর্থতার কথা বলেন। তিনি বলেন, দেশে মাদকের ক্রমবর্ধমান ব্যবহার মোকাবেলা করতে এক দশকেরও বেশি সময় লাগবে। অপরাধ চক্রের ক্রমবর্ধমান প্রভাব মোকাবিলায় ইকুয়েডরকে তার সশস্ত্র বাহিনী এবং পুলিশকে শক্তিশালী করতে প্রতিবেশী কলম্বিয়া, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইইউ থেকে আন্তর্জাতিক সমর্থনের প্রয়োজন হবে।
দেশটির কারা কর্মকর্তারা বলেন, ইকুয়েডরের কারাগারে বর্তমানে ধারণক্ষমতার চেয়ে ৯ হাজার বেশি বন্দী থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে। লিটোরাল পেনিটেনশিয়ারিতে ধারণক্ষমতা ৫ হাজার ৩০০ হলেও সেখানে সাড়ে ৮ হাজার বন্দী রয়েছে।
এর আগে গত সেপ্টেম্বরে দেশটির একটি কারাগারে সংঘর্ষে শতাধিক বন্দী মারা যায়। চলতি বছর দেশটির কারাগারগুলোতে প্রায় তিনশ বন্দী মারা গেছে।