গত বুধবার ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্ট শনাক্তের পর রোববারই প্রথম এ বিষয়ে কথা বলেন দক্ষিণ আফ্রিকান এই প্রেসিডেন্ট। তিনি বলেন, ‘আফ্রিকার দেশগুলোর ওপরে আরোপিত ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা বৈজ্ঞানিকভাবে স্বীকৃত নয়।’
তিনি আরও বলেন, ‘এই নিষেধাজ্ঞার ফলে কেবল এই দেশগুলোকে অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করা হবে। এছাড়া মহামারি মোকাবিলা এবং কাটিয়ে উঠতে আমাদের সক্ষমতাকেও এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে খাটো করা হয়েছে।’
দক্ষিণ আফ্রিকাসহ আফ্রিকার বেশ কয়েকটি দেশে শনাক্ত হয়েছে করোনাভাইরাসের নতুন ধরন ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্ট। এরপরই দেশগুলোর বিরুদ্ধে একে একে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে যাচ্ছে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলের দেশ। তবে আফ্রিকার দেশগুলোর বিরুদ্ধে এমন পদক্ষেপের বিষয়ে মুখ খুলেছে দক্ষিণ আফ্রিকা।
করোনাভাইরাসের নতুন ধরন ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্ট শনাক্তের জের ধরে দক্ষিণ আফ্রিকা ও এর প্রতিবেশীদের ওপর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা আরোপের নিন্দা জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট সিরিল রামাফোসা। একইসঙ্গে জরুরি ভিত্তিতে এই নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবিও জানিয়েছেন তিনি।
সিরিল রামাফোসার ভাষায়, নতুন ভ্যারিয়েন্ট শনাক্তের জের ধরে আরোপিত ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা ‘বৈজ্ঞানিকভাবে অযৌক্তিক’। সোমবার (২৯ নভেম্বর) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম বিবিসি ও আলজাজিরা।
গত বুধবার দক্ষিণ আফ্রিকায় প্রথমবারের মতো ওমিক্রনে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়। এরপরই তা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়ে। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বতসোয়ানা, বেলজিয়াম, হংকং ও ইসরায়েল, যুক্তরাজ্য, জার্মানি, ইতালি, অস্ট্রেলিয়ার পাশাপাশি নেদারল্যান্ডস এবং ডেনমার্কেও ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টের সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে।
গত শুক্রবার বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা দক্ষিণ আফ্রিকায় শনাক্ত করোনার নতুন প্রজাতিকে ‘উদ্বেগজনক ভ্যারিয়েন্ট’ হিসেবে ঘোষণা দেয়।
গত বুধবার ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্ট শনাক্তের পর রোববারই প্রথম এ বিষয়ে কথা বলেন দক্ষিণ আফ্রিকান এই প্রেসিডেন্ট। তিনি বলেন, ‘আফ্রিকার দেশগুলোর ওপরে আরোপিত ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা বৈজ্ঞানিকভাবে স্বীকৃত নয়।’
তিনি আরও বলেন, ‘এই নিষেধাজ্ঞার ফলে কেবল এই দেশগুলোকে অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করা হবে। এছাড়া মহামারি মোকাবিলা এবং কাটিয়ে উঠতে আমাদের সক্ষমতাকেও এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে খাটো করা হয়েছে।’