রাশিয়া ভিন্ন পন্থায় ইউক্রেনে আগ্রাসন চালাচ্ছে বলে অভিযোগ তুলেছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো। এর প্রতিবাদে রাশিয়ার ওপর প্রথম ধাপে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করলো ট্রুডো। ইউক্রেনের দুটি অঞ্চল লুহানস্ক এবং দনেস্ককে রাশিয়া স্বাধীন দেশের মর্যাদা দিয়েছে, যা ইউক্রেনের সার্বভৌমত্বের উপর আঘাত। এজন্য এই অবরোধ বলে জানিয়েছে কানাডা।
অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞার পাশাপাশি রাশিয়ার পার্লামেন্ট সদস্যদের ওপরও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে জাস্টিন ট্রুডোর সরকার।
মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে নিষেধাজ্ঞা আরোপের ঘোষণা দিয়ে প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো বলেন, বল্টিক অঞ্চলে শান্তি বজায় রাখার পাশাপাশি ইউক্রেইনের সার্বভৌমত্বকে সুরক্ষিত রাখতে লাটভিয়ায় কানাডার ৪৬০ জন সেনা মোতায়েনের অনুমোদন দেয়া হয়েছে। এছাড়া স্বীকৃতি দেয়া দনেস্ক ও লুহানস্কে রাশিয়ার সেনা পাঠানোর সিদ্ধান্তের নিন্দা জানিয়েছেন জাস্টিন ট্রুডো।
পূর্ব ইউক্রেনের দুটি অঞ্চলকে স্বাধীন দেশ হিসেবে রাশিয়ার স্বীকৃতি দেয়ার বিষয়ে একটু দেরিতে হলেও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে কানাডার প্রধানমন্ত্রী এইসব পদক্ষেপ নিলেন। দনবাসকে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতির সিদ্ধান্তকে আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি মস্কোর বাধ্যবাধকতার চরম লঙ্ঘন বলে উল্লেখ করেন ট্রুডো। একই সাথে স্বীকৃতি দেয়া ওই দুই অঞ্চলে রাশিয়ার সেনা পাঠানোর সিদ্ধান্তের কঠোর নিন্দা জানিয়ে তিনি বলেন, এটা ইউক্রেনের অখণ্ডতা এবং সার্বভৌমত্বের ওপর আক্রমণ।
রাশিয়ার এই্ পদক্ষেপকে ভিন্ন পন্থায় ইউক্রেনে আগ্রসন উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী ট্রুডো বলেন, এ বিষয়ে কোনো ভুল নেই এবং এটা কোনভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। সেই সাথে প্রেসিডেন্ট পুতিন সোমবার যে বক্তব্য দিয়েছেন তা সঠিক নয় এবং বিপজ্জনক ভুল তথ্যে ভরা বলেও মন্তব্য করেন ট্রুডো।
সূত্র: পার্সটুডে