ইউক্রেনে হামলার পর থেকেই দেশটির মানুষ যে যেভাবে পারছে দেশ ছাড়ছে। জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআর বলছে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সবচেয়ে বড় মানবিক সংকটে পড়তে যাচ্ছে ইউরোপ। আর ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) ভাষ্যমতে, এই যুদ্ধে ৪০ লাখের মতো মানুষ ইউক্রেন ছাড়তে বাধ্য হবে।
এরই মাঝে বিবিসির এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে প্রায় ৩০০ ইউক্রেনিয়ানকে দেশে ঢুকতে দেয়নি যুক্তরাজ্য। ফ্রান্সের ক্যালে থেকে যুক্তরাজ্যে প্রবেশের চেষ্টা করেছিলেন তারা। সীমান্ত থেকে তাদের ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
বিবিসির ঐ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাজ্য থেকে যতগুলো ভিসা ইস্যু করা হয়েছে, সেই সংখ্যাও প্রায় সমান।
ইউক্রেনে রাশিয়ার হামলা শুরু করার পর থেকে ৫৮৯ জন ইউক্রেনিয়ান এই সীমান্তে আসেন বলে জানা যাচ্ছে। তাদের মধ্য থেকে ২৮৬ জনকে যুক্তরাজ্যে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। তারপরও অনেক শরণার্থী ফ্রান্সের ক্যালে বন্দর দিয়ে যুক্তরাজ্যে প্রবেশের সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছে।
বৃটেনকে (যুক্তরাজ্য) খুব আন্তরিক ও মানবিক দেশ বলে এর আগে দাবি করেছিলেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। তবে কারা তার দেশে প্রবেশ করছে তা যাচাই-বাছাই ছাড়া কাউকে ঢুকতে দেওয়া হবে না বলে ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।
রাশিয়ার হামলা শুরুর পর ১২ দিনে ইউক্রেন থেকে ১৭ লাখের বেশি মানুষ পাশের দেশগুলোতে গেছেন বলে জানিয়েছে জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআর।
সংস্থাটি বলছে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপে সবচেয়ে দ্রুত বাড়তে থাকা এ শরণার্থী সংকট মারাত্মক আকার নিতে যাচ্ছে।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) ভাষ্যমতে, এ যুদ্ধে ৪০ লাখের মতো মানুষ ইউক্রেন ছাড়তে পারেন।