আগামী ২১ মে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠানের ঘোষণা দিয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন। আজ রোববার এ ঘোষণা দেন স্কট। এ সময় অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা এবং নিরাপত্তা হুমকির কথা উল্লেখ করেন তিনি। খবর রয়টার্স।
রাজধানী ক্যানবেরায় সাধারণ নির্বাচনের ব্যাপারে দেয়া ঘোষণায় স্কট মরিনসন বলেন, এর মাধ্যমে জীবনযাত্রার ব্যয়-চাপ, জলবায়ু পরিবর্তন এবং প্রধান দলগুলোর আস্থা ও যোগ্যতা নিয়ে ওঠা প্রশ্ন নিয়ে লড়াই করা হবে। এতে নানা প্রতিকূলতা রয়েছে।
দেশের জনগণের উদ্দেশে অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, আগামী ২১ মে নির্বাচনে উদারপন্থী এবং জাতীয়তাবাদীদের ভোট দিয়ে আপনারা শক্তিশালী অর্থনীতি ও ভবিষ্যত নিশ্চিত করতে পারেন।
এদিকে, বিরোধী দল লেবারপার্টি বলছে, তারা অস্ট্রেলিয়ার জনগণের জন্য একটি ভাল অর্থনৈতিক বিকল্প প্রস্তাব করবে। লেবারপার্টিকে এবার ফেবারিট তকমা দিয়েছেন দলের নেতা অ্যান্থনি আলবানিজ।
রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, গত নয় বছর ক্ষমতায় থাকার পর জনমত জরিপে মরিসনের রক্ষণশীল জোট লেবার পার্টিকে পেছনে ফেলেছে। তবে, ২০১৯ সালের মে মাসে নির্বাচনের আগে তিনি জনমত জরিপে পিছিয়ে গিয়েও জয় পেয়েছিলেন।
নির্বাচনী প্রচারণার এক মঞ্চে অজি প্রধানমন্ত্রী বলেন, অস্ট্রেলিয়ানরা গত নির্বাচনের চেয়েও এবার বেশি চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছে। দাবানল, বন্যা এবং কভিড-১৯ মহামারীতে তার দল ক্ষমতায় থেকে অন্যান্য রাষ্ট্রের চেয়েও নিজের দেশকে ভালো অবস্থানে রেখেছে। তিনি বলেন, আমি জানি আমাদের দেশ খুব বাস্তব চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হচ্ছে। অনেকেই এটি কঠিন করে তুলেছে। কিন্তু, ঝুঁকি নেয়ার এখনই সময়।
অস্ট্রেলিয়ার পার্লামেন্টে ৭৬টি আসনে প্রতিনিধিত্ব করছে মরিসন নেতৃত্বাধীন লিবারেল পার্টি। ক্ষমতা ধরে রাখতে সমসংখ্যক আসনে জয় পেতে হবে তাদের। তবে, সাম্প্রতিক একটি নিউজপোল সমীক্ষায় দেখা গেছে, লেবারপার্টি দুই-দলীয় ভিত্তিতে ৫৪ শতাংশ থেকে ৪৬ শতাংশ জোটে নেতৃত্ব দিচ্ছে। ফলে নির্বাচনের তাদের ভূমিকাও বেশ প্রকট।
মরিসন এবং আলবেনিজ আগামী তিন বছরের মেয়াদে প্রধানমন্ত্রী পদপার্থী হিসেবে পরিসংখ্যানগত সমতায় রয়েছেন।