ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে যুক্তরাজ্যের বেরিয়ে যাওয়ার পর করোনার অভিঘাত সামলাতে হিমশিম খাওয়া ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনকে পদত্যাগ করতেই হচ্ছে। বৃহস্পতিবার (৭ জুলাই) দুপুরে বিবিসি জানিয়েছে, দলীয় সংসদ সদস্যদের পদত্যাগের পর বরিস নিজেও সরে যেতে রাজি হয়েছেন।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পদত্যাগে রাজি হলেও শরৎ পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করে তারপর ক্ষমতা ছাড়বেন আলোচিত এই প্রধানমন্ত্রী।
ব্রিটেনে কয়েক মাস ধরে রাজনৈতিক অস্থিরতা চলছে। এর ভেতর মঙ্গলবার মাত্র ১০ মিনিটের ব্যবধানে অর্থমন্ত্রী ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী পদত্যাগ করেন। একজন কনজারভেটিভ পার্লামেন্ট সদস্যের (এমপি) বিরুদ্ধে ওঠা যৌন হয়রানির অভিযোগ প্রধানমন্ত্রী আমলে না নেওয়ায় ঘটনার সূত্রপাত হয়।
এরপর জুনিয়র মন্ত্রী ও এমপিদের পদত্যাগ ও অনাস্থা জানানোর হিড়িক শুরু হয়। বুধবার (৬ জুলাই) রীতিমতো পদত্যাগের বন্যা বয়ে যায়। চলে গভীর রাত পর্যন্ত।
এদিন সন্ধ্যায় জ্যেষ্ঠ মন্ত্রীদের একটি দল ডাউনিং স্ট্রিটে যান প্রধানমন্ত্রীকে পদত্যাগে রাজি করাতে।
বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো ব্রিটেনও কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে গভীর ব্যয়-সংকটের মধ্যে রয়েছে। দেশটির মুদ্রাস্ফীতি গত ৪০ বছরের সর্বোচ্চ পর্যায়ে এখন।
যুক্তরাজ্যে পরবর্তী সাধারণ নির্বাচন হওয়ার কথা রয়েছে ২০২৪ সালে। কিন্তু চূড়ান্ত পদত্যাগের আগে জনসন তার ক্ষমতাবলে নির্বাচন ডাকলে তা হতে পারে আরও আগেই।