রাশিয়ার-ইউক্রেন যুদ্ধের দীর্ঘ পাঁচ মাস পর ইউক্রেনের শস্যবাহী প্রথম জাহাজটি সোমবার (১ আগস্ট) তুরস্কের উদ্দেশে দেশটির গুরুত্বপূর্ণ ওডেসা বন্দর ছেড়ে গেছে। সোমবার (১ আগস্ট) তুরস্কের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। খবর আল-জাজিরার।
মন্ত্রণালয়টির পক্ষ থেকে জানানো হয়, সিয়েরা লিওনের পতাকাবাহী পণ্য বোঝাই জাহাজ রেজোনি লেবাননের উদ্দেশ্যে ওডেসা বন্দর ছেড়েছে। এদিকে জাতিসংঘ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, জাহাজটি ২৬ হাজার টন ভুট্টা বহন করছে।
ধারণা করা হচ্ছে, জাহাজটি মঙ্গলবার (২ আগস্ট) ইস্তাম্বুলে পৌঁছাবে। সেখানে এটি পরিদর্শন করার পর চূড়ান্তভাবে ছেড়ে দেওয়া হবে।
এর আগে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তায়্যেপ এরদোয়ানের মুখপাত্র ইব্রাহিম কালিন জানান, যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর শস্যবাহী প্রথম জাহাজ ইউক্রেনের বন্দর ছাড়তে পারে সোমবার (১ আগস্ট)।
ইব্রাহিম কালিন জানান, যদি সব কিছু সম্পূর্ণভাবে ঠিক থাকে তাহলে সোমবার শস্যবাহী জাহাজ ইউক্রেন ছাড়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি। অবশেষে তার এ কথাই সত্যি হলো।
ইউক্রেন ও রাশিয়া বিশ্বে প্রধান গম সরবরাহকারী দেশ। দুই দেশের মধ্যে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর বিশ্বব্যাপী খাদ্য পণ্যটির দাম বেড়ে যায়। তবে গত সপ্তাহে জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় তুরস্কে দেশ দুইটির মধ্যে চুক্তি সই হয়েছে, যাতে নিরাপদে শস্যবাহী জাহাজ ইউক্রেনের বন্দর ছাড়তে পারে।
//////////////////////////////////////////////////////////////////////////////////////////////////////////////////////////////////////////////////////////////////////
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের পর দীর্ঘ পাঁচ মাস ইউক্রেনের শস্য রপ্তানি বন্ধ ছিল।
মধ্যস্থতাকারী তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগানের উপদেষ্টা ও মুখপাত্র ইব্রাহীম কালিন রোববার একটি বেসরকারি টিভিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেন, প্রথম জাহাজটি সোমবার ছেড়ে যাবে। খবর দ্য হুরিয়াতের।
তিনি বলেন, এ খাদ্যশস্য রপ্তানির প্রক্রিয়া নির্বিঘ্ন করার জন্য আমরা ইউক্রেন এবং রাশিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রেখেছি। ওডেসা বন্দরে শস্যবোঝাই জাহাজগুলো এখন ছাড়ার অপেক্ষায়। প্রথম জাহাজটি সোমবার বন্দর ত্যাগ করতে পারে।
আন্তর্জাতিক সমুদ্রপথে এখনো কিছুটা সমস্য আছে উল্লেখ করে কালিন বলেন, এসব সমস্যা সমাধানে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন।
ইউক্রেনের শস্যবোঝাই প্রথম জাহাজটি তুরস্কের পতাকাবাহী বলে জানান এরদোগানের এ উপদেষ্টা। আন্তর্জাতিক জলসীমায় ঝামেলা এড়ানোর জন্য এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানান ইব্রাহীম কালীন।
ইস্তানবুলে গত ২২ জুলাই রাশিয়া, তুরস্ক, জাতিসংঘ ও ইউক্রেনের মধ্যে শস্য পরিবহণ চুক্তি হয়। মূলত জাতিসংঘের আহ্বানে তুরস্ক এ শস্য রপ্তানি প্রক্রিয়ায় রাশিয়া ও ইউক্রেনের সঙ্গে মধ্যস্থতা করে।