ব্রিটেনের রানি এলিজাবেথের শারীরিক অবস্থায় ‘উদ্বিগ্ন’ চিকিৎসকরা। তাকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছে বাকিংহাম প্যালেস কর্তৃপক্ষ। রানি বেশ কিছুদিন থেকেই স্কটল্যান্ডের বালমোরাল প্রাসাদে রয়েছেন। শারীরিক অসুস্থতার কারণে কয়েক মাস ধরেই জনসম্মুখে আসা কমিয়ে দিয়েছিলেন তিনি। বয়স এরই মধ্যে ৯৬ বছর পার হয়েছে রানি এলিজাবেথের। খবর বিবিসি ও দ্য গার্ডিয়ানের।
এমন খবর জানার পর ৯৬ বছর বয়সী রানির পাশে থাকার জন্য তার কাছে ছুটে আসছেন তার ছেলে-মেয়ে ও রাজ পরিবারের অন্যন্য সদস্যরা।
জার্মান থেকে আসছেন হ্যারি এবং মেগানও। যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করেন। একটি অনুষ্ঠানে যোগদানে তারা জার্মানে অবস্থান করছিলেন। তাদের মুখপাত্র জানিয়েছেন, সাসেক্সের ডিউক ও ডাচেস বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় লন্ডনে ওয়েলচাইল্ড পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার কথা ছিল। তবে রানিকে দেখতে তারা পরিকল্পনা পরিবর্তন করেছেন।
বাকিংহাম প্যালেসের মুখপাত্র এক বিবৃতিতে বলেছেন, আজ সকালে আরও মূল্যায়নের পর রানির স্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং তাকে মেডিকেলের তত্ত্বাবধানে রাখতে সুপারিশ করেছেন। রানি বালমোরালেই থাকছেন।
গত বুধবার এক ভার্চুয়াল বৈঠক থেকে আকস্মিক বেরিয়ে যাওয়ার পর রানি এলিজাবেথকে বিশ্রামে থাকার পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা। এরপরই তার স্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়ে।
রানির অসুস্থতার খবরে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী লিজ ট্রাস এক টুইটে বলেছেন, বাকিংহাম প্যালেস থেকে পাওয়া খবরে গোটা দেশ গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। রানি ও তার পরিবারের প্রতি সহানুভূতি রয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
বিরোধী দলের নেতা স্যার কেয়ার স্টারমার রানি ও রাজপরিবারের প্রতি সহানুভূতি জানিয়েছেন। বলেছেন, রানির অসুস্থতার খবরে গোটা দেশের মতো তিনিও উদ্বিগ্ন।
হাউজ অব কমনসের স্পিকার স্যার লিন্ডসে হোয়েল বলেছেন, হাউজের পক্ষ থেকে আমি রানির জন্য শুভকামনা জানাই। এই মুহূর্তে তিনি ও রাজপরিবার আমাদের প্রার্থনায় রয়েছেন।