নারী-পুরুষ নির্বিশেষে তাদের দক্ষতা ব্যবহার করলেই নিজ জনগোষ্ঠীকে শক্তিশালী করার পাশাপাশি বিশ্ব দরবারে নিজ দেশকে তুলে ধরতে পারবে আর আনতে পারবে পরিবর্তন। তবে এর জন্য প্রয়োজন শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ন, নারীর প্রতি দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন। মঙ্গলবার রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত দক্ষিণ এশিয় নারী উদ্যোক্তা সিম্পোজিয়ামে এসব কথা উঠে আসে।
<p>দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে পুরুষদের পাশাপাশি নারীরাও রাখছে অগ্রণী ভূমিকা। তারা এখন ঘরে বসে না থেকে ক্ষুদ্রঋণ প্রকল্পের মাধ্যমে নিজেরা যেমন স্বাবলম্বী হয়ে উঠছে তেমনি সামাজিক উন্নয়নেও রাখছেন ভূমিকা।
<p>নারীদের এ অবস্থার জন্য দেশের গ্রামীণ অর্থনীতি যথেষ্ট শক্তিশালী হয়ে উঠেছে বলে মনে করছেন দেশের সফল নারী উদ্যোক্তা রোকেয়া আফজাল রহমান।
<p>তিনি বলেন, ‘ক্ষুদ্রঋণ নিয়ে গ্রামীণ নারীরা আজ যথেষ্ট স্বাবলম্বী হয়ে উঠেছে। তারা যেমন অর্থনীতির চাকাকে সচল করেছে তেমনি ভূমিকা রাখছে সামাজিক উন্নয়নেও।’
<p>তবে উন্নয়ন কাজে মনোনিবেশ করতে হলে নারীদের কর্মক্ষেত্রকে মসৃণ করার ওপর জোর দিয়েছেন বাংলাদেশে রাষ্ট্রদূত ড্যান ডব্লিউ মজিনা।
<p>মজিনা বলেন, ‘যোগাযোগের অপর্যাপ্ত সুযোগ, ঋণ পাওয়ার সীমাবদ্ধতা, লিঙ্গ ভিত্তিক সহিংসতার কারণে নারীরা ব্যবসায় সফল হতে পারছেন না। একটা কথা মনে রাখতে হবে নারীরা হচ্ছে পরিবর্তনের অপরিহার্য প্রভাবক।’
<p>নারীরা দেশের অর্থনীতিতে যাতে আরো বেশি ভূমিকা রাখতে পারে সে জন্য নেয়া নানা উদ্যোগের কথা জানান নারী ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ চুমকি।
<p>তিনি বলেন, ‘নারীদের কাজের মান উন্নয়নের জন্য তৃণমূলপর্যায় থেকে শুরু করে সর্বস্তরে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে প্রস্তুত করা হয়েছে জাতীয় নারী উন্নয়ন কৌশলের খসড়াপত্র।’