সংশোধিত দুদক আইন, প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) দীর্ঘ ছুটিতে যাওয়া ও ভারপ্রাপ্ত সিইসি সাম্প্রতিক বক্তব্যের সমালোচনা করেছেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মণ্ডলির সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত। সাংবিধানিক পদে থেকে সমালোচনার জবাবে তীর্যক কথা না বললেও চলে বলে জানান তিনি। শুক্রবার রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স মিলনায়তনে বঙ্গবন্ধু একাডেমি আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
উপজেলা নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন তোলায় বিএনপিরও সমালোচনা করেন সুরঞ্জিত বলেন, নির্বাচন সুষ্ঠু না হলে বিএনপি হয় প্রত্যাখান করুক-না হলে এ নিয়ে কথা বলে লাভ নেই। আর উপজেলা নির্বাচনের সময় সিইসির দীর্ঘ ছুটিতে যাওয়ার যুক্তিসঙ্গত কোনো জবাব নেই।
ভারপ্রাপ্ত নির্বাচন কমিশনারের বক্তব্য নিয়ে তিনি আরো বলেন, ‘আমার প্রাধান নির্বাচন কমিশন এ দীর্ঘ ছুটিতে যাওয়াটা, এর যুক্তি সংগত জবাব দেয়া যাচ্ছে না। তারা উপস্থিতিটা খুবই প্রয়োজন ছিল। এটাকে ডিফেন্ড করা খুব কঠিন হয়ে যাচ্ছে। দ্বিতীয় যে ভারপ্রাপ্ত নির্বাচন কমিশনের কাছে সমালোচনার জবাবে এত তীর্যক, তীর্বভাবে এ প্রতিবাদটা না করলেও চলতো।’
সংশোধিত দুদক আইনেরও কড়া সমালোচনা করেন আওয়ামী লীগের এ নেতা বলেন, ‘দুদক আইনে সংশধোনী এনে একটি বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে। তাতে দুদকও যাবে ও থানাও যাবে। সুতরাং এ বিষয়টি আর বিলম্ব করা যাবে না। ১০ তারিখে হয়তো পার্লামেন্ট বন্ধ হয়ে যায় তাহলে এ সেকশনগুলো দুদক থেকে বাদ দিয়ে চিনাল কোর্টে ফেরত দিতে হবে। আইন মন্ত্রণালয়কে এ ধরনের অমনযোগী হয়ে যাতে আর ভবিষ্যতে কোনো আইনের সংশোধন না করা হয় এদিকে খুব কড়া দৃষ্টি রাখতে হবে।’
এর আগে জাতীয় প্রেসক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে একটি ইসলামি সংগঠনের আলোচনা সভায় খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম জামাত-বিএনপির মিথ্যাচার-বিভ্রান্তির বিরুদ্ধে আলেম সমাজকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান।
তিনি আরো বলেন, ‘এদের বিচার যে আমরা করছি, এটা আমরা ইসলামের নির্দেশ পালন করছি। রাষ্ট্র তার দায়িত্ব পালন করছে এদের বিচারের মধ্য দিয়ে।’
এদিকে, জাতীয় গণগ্রন্থাগার মিলনায়তনে অপর এক আলোচনায় আওয়ামী লীগ নেতারা অভিযোগ করেন, ইতিহাস বিকৃতি করে মানুষের মাঝে বিভ্রান্তির সৃষ্টি করছে বিএনপি।