বাংলা নববর্ষ-পহেলা বৈশাখ ২ দিন বাদেই তাই বাঙালির বর্ষবরণ উৎসবে অপরিহার্য অনুষঙ্গ ইলিশের চাহিদাও তাই বেশি। তবে বাজারে প্রচুর ইলিশ থাকলেও চড়া দামের কারণে তা মধ্যবিত্ত- নিম্ন আয়ের মানুষের ধরাছোঁয়ার বাইরে। তবে অস্বাভাবিক দাম স্বত্ত্বেও থেমে নেই উচ্চবিত্ত মানুষের ইলিশ কেনা।
এর পাশাপাশি শুক্রবারের সাপ্তাহিক বাজারে চাহিদা বেড়েছে মুড়ি-মুড়কি, সরিষার তেল, আমন ও পোলাওয়ের চালের।
এসব সুপারশপে সাধারণত বিত্তবানেরাই বাজার সওদা করতে আসেন। পহেলা বৈশাখের আর তিনদিন বাকী থাকলেও, সাপ্তাহিক ছুটির দিনে সেরে নিচ্ছেন বৈশাখী উৎসবের কেনাকাটা। স্বাভাবিকভাবেই বাঙালি সংস্কৃতির অন্যতম অনুষঙ্গ ইলিশের বাজার যেন সরগরম।
চেনশপগুলোতে দিনে গড়ে দেড়শো করে ইলিশ বিক্রি হলেও নববর্ষ-পহেলা বৈশাখ দিনের প্রথম ৩ ঘণ্টায় বিক্রি হয়েছে দেড় হাজারেরও বেশি। তবে উল্টো চিত্র খোলা বাজারে। নববর্ষের আগমন উপলক্ষ্যে বিক্রেতারা ইলিশের পসরা সাজিয়ে বসলেও ক্রেতা তেমন একটা পাচ্ছেন না।
আর নিম্ন আয়ের এসব মানুষের সাধ থাকলেও নেই সাধ্য। তাই এ দোকান সে দোকান ঘুরেও বৈশাখে ইলিশ খাওয়ার আশা জলাঞ্জলি দিয়ে ছুটছেন অন্যদিকে।
এছাড়া, বিক্রি বেড়েছে পান্তার চালসহ আরো কিছু পণ্যের। আর নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে চালের দাম এখনো চড়া থাকলেও স্থিতীশীল আছে তেল পেয়াজ, আদা রসুনের দাম।