জনগণকে আইনি সহায়তা দেয়া যেমন সরকারের সাংবিধানিক দায়িত্ব তেমনি আইনগত সহায়তা পাওয়া জনগণের সাংবিধানিক অধিকার বলে মন্তব্য করেছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। সোমবার ‘জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস-২০১৪’ উপলক্ষে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
আইনমন্ত্রী বলেন, দেশের প্রান্তিক জনগণের দোরগোড়ায় আইনি সহায়তা পৌঁছে দিতে কাজ করে যাচ্ছে সরকার। জনগণের আইনি সহায়তা দেয়ার জন্য দেশি-বিদেশি সংস্থা ও আইনজীবীসহ দেশের সুশিল সমাজের সঙ্গে একযোগ কাজ করতে প্রস্তুত সরকার বলেও জানান তিনি।
দেশের দরিদ্র ও অসহায় বিচারপ্রার্থী জনগণকে সরকারি খরচে আইনি সহায়তা দিতে বর্তমান সরকার কাজ করে যচ্ছে— এ কথা উল্লেখ করে আনিসুল হক বলেন, সরকার এজন্য ২০০০ সালে আইনগত সহায়তা প্রদান আইন প্রণয়ন করেছেন।
আনিসুল হক বলেন, ‘জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস পালনের মূললক্ষ্য হলো সরকারি আইন সহায়তা কার্যক্রমের বিষয়ে জনমত সৃষ্টি করা। আইনগত অধিকার বিষয়ে সচেতন করার মাধ্যমে দরিদ্র ও অসহায় জনগণের ন্যায়বিচারে সহজ প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করা। নাগরিকদের প্রতি রাষ্ট্রের সাংবিধানিক দায়িত্ব এবং এরূপ সহায়তা পাওয়া জনগণের সাংবিধানিক অধিকার।’
দেশের প্রতিটি জেলায় লিগ্যাল এইড অফিস স্থাপন করা হয়েছে –এ কথা জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, বিচারপ্রার্থী জনগণের স্বার্থরক্ষায় সিনিয়র সহকারী জজ পদমর্যাদার কর্মকর্তাদের জেলা লিগ্যাল এইড অফিসার হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, ‘বিচারক, আইনজীবী, এনজিও, সুশিল সমাজ সকলের যৌথ অংশগ্রহণের বাংলাদেশে একটি কার্যকর এবং শক্তিশালী আইনি সহায়তার ব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব হবে বলে আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি।’
এসময় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থার আয়োজন দিনব্যাপী মেলার উদ্বোধন করেন তিনি।
জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস-২০১৪ উপলক্ষে রাজধানীতে র্যা লি বের করে জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থা। ‘গরিবের মামলার ভার, বহন করে সরকার’- এ প্রতিপাদ্য নিয়ে দ্বিতীয় বারের মতো দিবসটি পালিত হলো।