দেশের শীর্ষস্থানীয় জাহাজ রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান আনন্দ শিপইয়ার্ডের বিরুদ্ধে নানা অনিয়মের মাধ্যমে ১৪টি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে প্রায় এক হাজার ৬০০ কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নথি চেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
বিগত ২০০৯ সালে ‘জাতীয় রপ্তানি স্বর্ণপদক’ পাওয়া এ প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনেছে খোদ কেন্দ্রীয় ব্যাংক। অভিযোগে, আনন্দ শিপইয়ার্ড বিভিন্ন ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে তা পরিশোধ করেনি। এমনকি যে কাজের জন্য ঋণ নিয়েছে, তাতেও বিনিয়োগ করেনি। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরিদর্শনে মন্তব্য করা হয়েছে, ‘ব্যাংকের টাকা চরমভাবে অপব্যবহার করেছে প্রতিষ্ঠানটি।
দুদকের চেয়ারম্যান মো. বদিউজ্জামান সাংবাদিকদের বলেন, এ মাসের মাঝামাঝি সময় কমিশন এ প্রতিষ্ঠানটির বিষয়ে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেয়। সুষ্ঠু অনুসন্ধানের স্বার্থে কয়েকটি ব্যাংক ও কয়েকটি আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে কিছু রিকুইজিশন (চাহিদাপত্র) পাঠিয়েছি। চাহিদা অনুযায়ী নথিপত্র পাওয়ার পরই অনুসন্ধানের গভীরে যাওয়া যাবে।
দুদকের জ্যেষ্ঠ উপপরিচালক মীর জয়নুল আবেদিন শিবলী এ ঋণ জালিয়াতির অভিযোগ অনুসন্ধান করছেন। দুদক সূত্র জানা গেছে, চাহিদা অনুযায়ী এসব প্রতিষ্ঠানের নথিপত্র আসার পরই আনন্দ শিপইয়ার্ডের চেয়ারম্যান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি), ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্টদের তলব করে জিজ্ঞাসাবাদের প্রক্রিয়া শুরু হবে।