শ্রমিকদের অধিকার আদায়ের পাশাপাশি কর্মস্থলে তাদের জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবি জানিয়েছেন শ্রমিক নেতারা। বৃহস্পতিবার মহান মে দিবস উপলক্ষে মিছিল, সমাবেশ আর আলোচনায় অংশ নিয়ে এ কথা বলেন তারা।
সেইসঙ্গে পুরুষের পাশাপাশি নারী শ্রমিকদের অধিকার রক্ষায় শোষণমুক্ত সমাজ গড়ার আন্দোলনে যোগ দেয়ারও আহ্বান নেতারা।
নানা কর্মসূচির মধ্যদিয়ে পালিত হচ্ছে শ্রমজীবী মানুষের ঐক্য ও সংহতির। সকাল থেকেই রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে শ্রমিকদের মিছিল আর মিছিল। শ্রমজীবী মানুষের অধিকার আদায়ের্ এ দিনটিকে স্মরণ করতে হাজারিবাগের ট্যানারি শ্রমিক, গার্মেন্ট শ্রমিক ও সদরঘাটের ঘাট শ্রমিকসহ সর্বস্তরের খেটে খাওয়া মানুষ নামে রাজপথে। সবার কণ্ঠে উচ্চকিত ন্যায্য মুজরি আর নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিতের দাবি।
১২৮ বছর আগের অবদান আজও যে অম্লান হয়ে আছে তা এ দিনটি এলেই বোঝা যায়। কিন্তু এতো বছর পরেও এদেশের শ্রমজীবী মানুষের দাবি ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার।
বাংলাদেশ গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশন দিবসটি উপলক্ষে রাজধানীতে এক বর্ণাঢ্য মিছিল বের করে। মিছিলটি বঙ্গবন্ধু এভিনিউ থেকে শুরু হয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে গিয়ে শেষ হয়।
মিছিল ও সমাবেশের পাশাপাশি ছিল সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।
কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের পাদদেশে শ্রমিকদের অধিকার আদায়ে সমাবেশ করেছে ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্র। শোষণমুক্ত সমাজ গড়তে শ্রমিকদের ঐক্যবদ্ধ হতে বলেন শ্রমিক নেতারা। নারী শ্রমিকদের অধিকার রক্ষার্থে সমাজতন্ত্রের কোনো বিকল্প নেই এক শ্রমিক সমাবেশে এ কথা বলেন তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু। আর মে দিবসের আরেক অনুষ্ঠানে শ্রম আইন বাস্তবায়নের অঙ্গীকার করেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন।
জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে দিবসটি উপলক্ষে সমাবেশের আয়োজন করে বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠন। জাগো বাংলাদেশ গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশন সকালে মিছিল বের করে পল্টন মোড় থেকে।
নয়পল্টন থেকে মিছিল বের করে জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল; রাজধানীর বিভিন্ন সড়ক ঘুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে গিয়ে শেষ হয় মিছিলটি।