চিকিৎসা পেশায় রাজনীতি ও বাণিজ্য ঢুকে পড়ায় দেশের হাসপতালগুলোতে বিশৃঙ্খলা ও হামলা-সংঘর্ষের ঘটনা ঘটছে বলে মনে করছেন বিশিষ্টজনেরা। সেবা বন্ধ করে চিকিৎসকদের আন্দোলন কর্মসূচিকে অপরধামূলক কর্মকাণ্ড বলে মনে করেন তারা।
এর থেকে বেরিয়ে আসতে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা ও পরস্পরের প্রতি সহনশীল আচরনের পরামর্শ তাদের। আর বিষয়টাকে স্বার্থন্বেষী মহলের উস্কানিতে চিকিৎসকদের মধ্য বিশৃংখলা তৈরির চেষ্টা বলে মনে করছেন চিকিৎসক নেতারা।
ছোটখাটো, কখনো আবার একেবারে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করেই রোগী, সাংবাদিক, পুলিশের সঙ্গে চিকিৎসকদের বিবাদ, সংঘাত-হামলা-মামলার খবর কিছু দিন ধরে খবরের শিরোনাম হচ্ছে।
গত বছর ঢাকা মেডিকেল কলেজে সাংবাদিকদের সঙ্গে শিক্ষানবিশ চিকিৎসকদের সংঘর্ষ হয়। এবার রাজশাহী মেডিকেলে সাংবাদিকদের ওপর বেপরোয়া হামলা চালায় শিক্ষানবীস চিকিৎসকরা। এরপর রাজধানীর বারডেম, মিটফোর্ড, চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, বরিশাল, ময়মনসিংহে ঘটে হামলা সংঘর্ষের ঘটনা।
সর্বশেষ গত ৬ মে ঢাকা মেডিকেল কলেজে ছাত্রলীগ কর্মীদের সঙ্গে চিকিৎসকদের সংঘর্ষ এবং মঙ্গলবার সিকদার মেডিকেলে প্রথম আলোর সিনিয়র সাংবাদিককে আটকে রেখে মারধরের ঘটনা ঘটে।
প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রেই চিকিৎসকরা জরুরি বিভাগসহ চিকিৎসা সেবা বন্ধ করে দেন আর এতে চরম দুর্ভোগে পড়েন রোগীরা। চিকিৎসকদের এ জাতীয় কর্মকাণ্ডকে অপরাধমূলক বলে মন্তব্য করেছেন মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান ড. মিজানুর রহমান।
মানবাধিকারকর্মী খুশি কবীর বলেন, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা না হওয়ায় এবং চিকিৎসা পেশায় রাজনীতি ও বাণিজ্য ঢুকে পড়ায় এ বিশৃংখলা। তবে হাসপাতালগুলোতে এ ধরনের ঘটনাকে স্বার্থান্বেষী মহলের উস্কানি।
এ সব ঘটনা খতিয়ে দেখতে সরকারের প্রতি তাগিদ দেন তারা।