মুক্তিযুদ্ধে সহায়তাকারী বিদেশি বন্ধু ও সংগঠনকে দেয়া রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সম্মাননা ক্রেস্ট থেকে স্বর্ণ চুরির ঘটনার সঙ্গে সরকারি কর্মকর্তারই জড়িত বলে জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সাবেক মন্ত্রী ক্যাপ্টেন এবিএম তাজুল ইসলাম। মঙ্গলবার রাজধানীতে এ কথা বলেন তিনি।
সাবেক এ মন্ত্রী বলেন, চুরির ঘটনার সময় ওই মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকলেও নিজে কোনো দায়-দায়িত্ব নিতে রাজী নন। রাষ্ট্রের সঙ্গে প্রতারণা করা ব্যক্তিদের শাস্তি দাবি করে সাবেক এ মন্ত্রী বলেন, এ ঘটনায় তিনি জড়িত নন, তাকে ফাঁসানো হয়েছে, এ ঘটনার জন্য তার বিরুদ্ধে কোনো সত্যতা পেলে যে শাস্তি আসবে, তা মাথা পেতে নিতে প্রস্তুত।
দেশের জন্মলগ্নে সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেয়া বিদেশি বন্ধু ও সংস্থাকে সম্মান জানাতে ২০১০ সালে উদ্যোগ নেয় সরকার। তারই পরিপ্রেক্ষিতে
এদিকে, আবার সঠিকভাবে ক্রেস্ট তৈরি করে দেয়ার নির্দেশনা চেয়ে আদালতে আবেদন করা হয়েছে। আগামী রোববার আবেদনের শুনানি নির্ধারণ করেছে আদালত।
২০১২ সালে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রনায়ক, রাজনীতিবিদ, শিল্পী-সাহিত্যিকসহ ৩৩৮ ব্যক্তি ও সংগঠনকে সম্মাননা জানায় বাংলাদেশ। সাত পর্বের সম্মাননার তৃতীয় পর্বের স্বর্ণের ক্রেস্ট পরীক্ষায় চরম প্রতারণার ঘটনা ধরা পরে।
সোনার বদলে তামা, পিতল আর রূপার বদলে ব্রোঞ্জ, দস্তার মিশ্রণ বেরিয়ে আসে বিএসটিআইএর পরীক্ষায়। ঘটনায় তোলপাড় সারাদেশ। শেষ পর্যন্ত বিষয়টি আদালতে গড়ায়।
সরকারের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় এর দায়িত্বে ছিল। বাস্তবায়নে গঠন করা হয় পররাষ্ট্রমন্ত্রীর নেতৃত্বে জাতীয় কমিটি। ওই ঘটনা তদন্তে গঠিত কমিটির কাছে অগ্রগতি জানতে চাইলে তদন্তের স্বার্থে কোনো মন্তব্য করতে চাননি কমিটির প্রধান।