রাজধানীর কামরাঙ্গীর চর এলাকায় বুড়িগঙ্গা নদীর পাড়ে র্যাব-১০ এর জন্য যে সাত একর জমি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল তা বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। তাদের জন্য অন্য জায়গায় জমি বরাদ্দ দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন নৌ পরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান। সোমবার সচিবালয়ে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
বুড়িগঙ্গা নদী উদ্ধার কার্যক্রম বাঁধাগ্রস্ত হওয়ায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে জানান শাজাহান খান।
নৌ পরিবহনমন্ত্রী বলেন, লালবাগ-কামরাঙ্গীর চরের মাঝ দিয়ে প্রবাহিত বুড়িগঙ্গার শাখা নদীর ওপরের জমি র্যাব-১০কে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। যা এখন বুড়িগঙ্গা রক্ষায় বাঁধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
বৈঠকে বিআইডব্লিউটিএ চেয়ারম্যানকে প্রধান করে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। এ কমিটি অবৈধ দখল উচ্ছেদ ও নদ-নদী পূনরুদ্ধারে সরাসরি উদ্যোগ নেবে।
মন্ত্রী আরো বলেন, বুড়িগঙ্গার আদি রূপ ফিরিয়ে দিতে আগামী মাসের মধ্যেই নদীর দু-পাড়ের সব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হবে।
রাজধানীর চারপাশের নদ-নদী উদ্ধার কার্যক্রমের অংশ হিসেবে বুড়িগঙ্গার অবৈধ দখলের মধ্যে র্যাবের এ জমিও চিহ্নিত করা হয়। এরইমধ্যে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী ও কর্মকর্তারা এসব জায়গা পরিদর্শনও করেছেন।
গত ১১ মে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ে কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময়ে সব নদ-নদী দূষণ ও দখলমুক্ত করার নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী।
বিএনপি-জামাত জোট সরকারের সময় ২০০৪ সালে রাজধানীর পার্শ্ববর্তী বুড়িগঙ্গা নদীর পারে স্থায়ী কার্যালয় নির্মাণের প্রস্তাব দেয় র্যাব-১০। সে প্রস্তাবে ২০০৭ সালে তৎকালীন সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার র্যাবকে জমি বুঝিয়ে দেয়। ৭ একর জায়গা জুড়ে এ জমির অধিকাংশই বুড়িগঙ্গা নদীর ভেতরে।