বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে গুলিবর্ষণ ও একজন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদস্য নিহত হওয়ার ঘটনায় ঢাকায় নিযুক্ত মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত মিউ মিন্ট থানকে তলব করে কৈফিয়ত চেয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। একইসঙ্গে অবিলম্বে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে মিয়ারমাকে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়ে বলা হয়, এ ধরণের ঘটনা যেন আর না ঘটে তার করণীয় নির্ধারণে ৯ থেকে ১৪ জুন ইয়াঙ্গুনে বিজিপি ও বিজিবি মহাপরিচালক পর্যায়ে এবং ১৮ জুন ঢাকায় দুই দেশের পররাষ্ট্র সচিব পর্যায়ে বৈঠকে আলোচনা হবে।
বুধবার মিয়ানমার সীমান্তবর্তী রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বিজিবি সদস্যদের টহলের সময় সীমান্তের ওপার থেকে বিনা উস্কানিতে গুলিবর্ষণের ঘটনায় তৈরি হয় উত্তেজনা। এ ঘটনায় নিখোঁজ হোন বিজিবির এক সদস্য। এর মধ্যেই এটা নিশ্চিত হওয়া গেছে যে, সেদিন তিনি গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা গেছেন।
ওই ঘটনার প্রথম প্রতিক্রিয়ায় পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয় বৃহস্পতিবার মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতকে ডেকে পাঠিয়ে নিখোঁজ বিজিবি সদস্যের হদিস জানতে চায়।
দুই দিনেও সমস্যা সমাধানের অগ্রগতি না থাকায় শনিবার মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতকে ফের তলব করে পরারাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। আবারো গুলির ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয়। অবিলম্বে বিজিবি সদস্যের লাশ ফেরত দিতে আবারও তাগিদ দেওয়া হয়। প্রায় দুই ঘন্টার বৈঠকে এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং ভবিষ্যতে যাতে এ ঘটনার পূনরাবৃত্তি না ঘটে সেজন্য ব্যবস্থা গ্রহন করতেও বলা হয়।
এদিকে, বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে উত্তেজনা কূটনৈতিক উপায়ে নিরসনের চেষ্টা চলছে– উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, ভুল বোঝাবুঝির থেকে এ ঘটনা ঘটেছে।