সীমান্তে উত্তেজনা কমে এসেছে এবং মিয়ানমার কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছেন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আজিজ আহমেদ। শনিবার মরদেহ হস্তান্তর প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর শনিবার সন্ধ্যায় রাজধানীতে বিজিবি সদরদপ্তরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
আজিজ আহমেদ বলেন, মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর গুলির ঘটনায় বুধবার বিজিবি সদস্যের খোয়া যাওয়া অস্ত্র ও গুলিও ফেরত পাওয়া যাবে। আলোচনার মাধ্যমেই সব সমস্যার সমাধান করা হবে।
তিনি বলেন, ‘মিয়ানমার বর্ডার গার্ড পুলিশ (বিজিপি) বলে তাদের ১০ জন সদস্য আসবে এবং আমাদের (বিজিবি) ১০ সদস্য যেনো নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে যায়। তাই আমরা ওই অনুযায়ী একজন মেজরের নেতৃত্বে ১০ জন সদস্যকে প্রেরণ করি। বিজিবি সদস্যরা ওইখানে গেলে বিজিপি সদস্য জিরো লাইন ক্রস করে তাদের নিয়ে যায় এবং মরদেহটি দেখার পর নায়েক মিজানের মরদেহটি শনাক্ত করা হয়। পরে সব রকম ফরমাল্টি শেষ করে বুঝে নেই।’
‘তবে মিজানের সঙ্গে এসএমজি ও ১২০ রাউন্ড অ্যামুনেশন ছিলো এ ব্যাপারে আমরা তাদেরতে জানাই। তারা জানায় যে এ মুহূর্তে এগুলো নেই তবে তারা বিজিপির উদ্ধর্তন কর্তৃপক্ষদের জানানো হয়েছে।’— বলেন বিজিবি মহাপরিচালক