সীমান্তে সহিংসতা বন্ধে এ মাসেই মিয়ানমারের সঙ্গে নিরাপত্তা সংলাপ ও একটি সমঝোতা চুক্তি হচ্ছে— উল্লেখ করে, এ ঘটনায় উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নেই বলে জানালেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ এইচ মাহমুদ আলী।
আর মিয়ানমারের বিদ্রোহী সংগঠনের কোন ঘাঁটি বাংলাদেশে নেই বলে জানানো হয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে। সীমান্ত পরিস্থিতি স্বাভাবিক- বলে জানালেন স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীও।
মিয়ানমারের বিচ্ছিন্নতাবাদী সশস্ত্র গোষ্ঠীর সদস্যরা বাংলাদেশে ঘাঁটি গেড়ে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছে এমন অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে বুধবার সীমান্তবর্তী রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বিজিবি সদস্যদের টহলের সময়, ওপার থেকে বিনা উস্কানিতে গুলিবর্ষণের ঘটনায় সীমান্তে উত্তেজনা দেখা দেয়।
মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতকে কয়েক দফা তলব করে প্রতিবাদ জানিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয়। ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে তদন্তের দাবিও জানানো হয়।
এটি একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা— উল্লেখ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিভিন্ন ইস্যুতে দুদেশের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে। এ নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নেই। ১৮ জুন ঢাকায় অনুষ্ঠেয় পররাষ্ট্র সচিব পর্যায়ের বৈঠকে এ বিষয়ে আলোচনা হবে।
এর আগে মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রসচিব মোহাম্মদ শহিদুল হক বলেন, বাংলাদেশে মিয়ানমারের বিদ্রোহী গোষ্ঠী রয়েছে এমন কোনো প্রমাণ সরকারের কাছে নেই। তবে সীমান্ত সমস্যা সমাধানে একটি সমঝোতা স্বারক স্বাক্ষরের কথা জানান তিনি।
এদিকে, স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেছেন, সীমান্তে ভুল বোঝাবুঝির অবসান ঘটেছে।