পদ্মা সেতু নির্মাণে চূড়ান্ত অনুমোদন পেলো চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানী। এতে ব্যয় ধরা হয়েছে ১২ হাজার ১৩৩ কোটি ৩৯ লাখ টাকা। প্রজ্ঞাপন জারি করে চীনের এ কোম্পানিটিকে কার্যাদেশ দেয় যোগাযোগ মন্ত্রণালয়। সোমবার যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মলনে যোগাযোগমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এ কথা বলেন।
মহাজোট সরকারের আগের আমলে নির্বাচনী ইশতেহারের অন্যতম ছিলো পদ্মা সেতু নির্মাণ। ২০১১ সালে বিশ্ব ব্যাংকের সঙ্গে ১২০ কোটি ডলারের ঋণচুক্তি হলেও পরামর্শক নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগ ওঠায় ঝুলে যায় দেশের অবকাঠামো খাতের সবচেয়ে বড় প্রকল্পটি। অনেক টানাপোড়েনের পর গত বছর জানুয়ারিতে বিশ্ব ব্যাংক এ প্রকল্প থেকে সরে দাঁড়ালে নিজস্ব অর্থায়নেই পদ্মা সেতু নির্মানের সিদ্ধান্ত নেয় সরকার।
এরপর গত বছরের জুন মাসে পদ্মা সেতুর মূল স্থাপনা নির্মাণের জন্য আন্তর্জাতিক দরপত্র আহবান করে সরকার। এতে চীনের মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানী লিমিটেড এবং দক্ষিণ কোরীয় ডেইলিম ও স্যামসাং সিঅ্যান্ডটি করপোরেশন দরপত্রের প্রথম দুই পর্বে অংশ নেয়।
তবে শেষ পর্বে আর্থিক প্রস্তাব দেয় শুধুমাত্র মেজর ব্রিজ ইন্জিনিয়ারিং কোম্পানি। একমাত্র দরদাতা হওয়ায় চায়না মেজর ব্রিজকেই শেষ পর্যন্ত অনুমোদন দেয় সরকার।
পদ্মাসেতু প্রকল্পের মূল সেতু নির্মানে ব্যয় হবে ১২ হাজার ১৩৩ কোটি ৩৯ লাখ টাকা। নির্মাতা প্রতিষ্ঠানকে মোট ব্যয়ের ২৫.৬০% টাকায় এবং বাকি ৭৪.৪০% বৈদেশিক মুদ্রায় পরিশোধ করতে হবে। তবে প্রকল্প থেকে বিশ্বব্যাংক সরে দাঁড়ালেও তাদের অনুমোদিত নকশা অনুযায়ীই নির্মাণ করা হবে পদ্মা সেতু।