বেসরকারি খাতে বিনিয়োগ উৎসাহিত করতে বাজেটে কিছু ইতিবাচক পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে—উল্লেখ করে অর্থনীতিবীদরা বলেন, জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত, দুর্নীতি কমিয়ে আনা ও রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা দূর করতে না পারলে বাজেট কোনো কাজে আসবে না।
এদিকে, প্রস্তাবিত বাজেট বাস্তবায়নের সামর্থ্য সরকারের রয়েছে বলে মনে করেন সরকারের নীতি নির্ধারকেরা।
রোববার রাজধানীতে মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাজট্রিজ আয়োজিত আলোচনা সভায় এ কথা বলেন তারা।
গত বছরের মাঝামাঝি থেকে রাজনৈতিক অনিশ্চয়তার কারণে বেসরকারি খাতের বিনিয়োগে স্থবিরতা দেখা দেয়। ব্যাংক ঋণের ঊচ্চ সুদ, দুর্নীতি এবং আর্থিক খাতের বিশৃঙ্খলাও বিনিয়োগকে নিরুৎসাহিত করে।
পরিস্থিতি আপাতদৃষ্টিতে স্থিতিশীল মনে হলেও এখনো ব্যবসায়ীদের আস্থা ফেরেনি,কমেনি দুর্নীতিও। তাই বাজেটকে বিনিয়োগের জন্য ইতিবাচক মনে করা হলেও বিনিয়োগ বাড়বে কি না তা নিয়ে সংশয়ে প্রকাশ করেন অর্থনীতিবিদরা।
সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ড. এবি মির্জা আজিজুল ইসলাম বলেন, ‘জিনিস এবং সম্পদের নিরাপত্তা এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, বর্তমানের স্থিতিশীলতা এ শর্তগুলো যদি আমরা পূরণ না করতে পারি তাহলে আমাদের বেসরকারি ক্ষাতের বিনিয়োগ বাড়বে না।
এদিকে, আস্থার সঙ্কট থাকলেও রাজনৈতিক কোনো অনিশ্চয়তা নেই বলে দাবি অর্থ প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নানের।
তিনি বলেন, ফেনী ও নারায়ণগঞ্জের ঘটনায় সরকার বিব্রত। তবে জানমালের নিরাপত্তা দিতে সরকার সচেষ্ট।
প্রস্তাবিত বাজেটে প্রবৃদ্ধির যে লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে তা বাস্তবসম্মত বলেই মনে করেন অর্থপ্রতিমন্ত্রী।