দেশে বসবাসরত দেশি-বিদেশি প্রত্যেকটি মানুষের নিরাপত্তা দেয়ার দায়িত্ব সরকারের বলে জানিয়েছেন মানবাধিকারকর্মী সুলতানা কামাল। কালশীতে বিহারি বাসিন্দাদের নিরাপত্তা না দিতে পারাকে রাষ্ট্রের ব্যর্থতা বলেও জানান তিনি।
সোমবার রাজধানী মিরপুরের কালশী বিহারি ক্যাম্প পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।
দোষী ব্যক্তিদের শাস্তি দাবি করে সুলতানা কামাল বলেন, এ ধরনের হামলা কখনোই কাম্য নয়। কালশীর ঘটনায় অভিযুক্ত পুলিশদের বাদ দিয়ে তদন্ত করতে হবে।
আর পুলিশের দাবি, বিভিন্ন মহল কালশীর ঘটনাকে অন্যদিকে প্রবাহিত করতে চেষ্টা করছে।
এদিকে, বিকেলে মোহাম্মদপুরের জেনেভা ক্যাম্পের পাশের রাস্তা অবরোধ করে অনশন কর্মসূচি পালন করছে বিহারীরা। কালশীর ঘটনায় সংশ্লীষ্ঠ পুলিশের অপশারন দাবি করেন তারা।
এর আগে রোববার কালশীর ঘটনায় রোববার সাত জনের নাম উল্লেখ করে ৬টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এর মধ্যে পুলিশ বাদী হয়ে ২টি মামলা করেছে। সাধারণ জনগণ বাদী হয়ে ৪টি মামলা করেছে। হত্যা, ভাঙচুর, বিশেষ ক্ষমতা আইন, অগ্নিসংযোগ ও পুলিশের কাজে বাঁধা দেয়ার অভিযোগে মামলাগুলো করা হয়।
গত শনিবার সকালে আতশবাজি ফোটানোকে কেন্দ্র করে কালশী এলাকায় এলাকাবাসী-পুলিশ-বিহারীদের সংঘর্ষ হয়। এ সময় শিশুসহ ১০ জন নিহত হয়। ইতোমধ্যে ঘটনা তদন্তে পুলিশের যুগ্ম কমিশনার মনিরুল ইসলামের নেতৃত্বে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে।