পদ্মা সেতুর নির্মাণে আমাদের পর্যাপ্ত রিজার্ভ ফান্ড রয়েছে—এ ফান্ড থেকে প্রতিবছর এক বিলিয়ন ডলার খরচ করা হবে। টাকা কোনো সমস্যাই নয় বলে জানিয়েছেন যোগাযোগমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
মঙ্গলবার মাদারীপুরের শিবচরে বাখরেরকান্দি পদ্মা সেতুর পুনর্বাসন কেন্দ্রের সম্মেলন কক্ষে মূল সেতুর কাজ দ্রুত শুরু ও অধিগ্রহণকৃত এলাকার ঘরবাড়িসহ স্থাপনা দ্রুত স্থানান্তরের লক্ষ্যে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এসব কথা বলেন তিনি।
বিশ্বব্যাংকের যাচাই-বাছাইকৃত প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্য থেকেই মূল সেতু ও নদী শাসনের কাজ করছে—এ কথা উল্লেখ বিশ্বব্যাংকের সবকিছু মেনেই কাজ করা হচ্ছে আর এখানে সরকার শুধু টাকা দেবে আর কিছু নয় বলে জানান মন্ত্রী।
মন্ত্রী বলেন, ২০১৭ সালের শেষ ভাগে নভেম্বর বা ডিসেম্বর অথবা ২০১৮ সালের শুরুতেই পদ্মা সেতু চালু হবে। আর এ এলাকাতেই নির্মিত হবে আন্তজার্তিকমানের একটি বিমানবন্দর।
এ সময় তিনি পদ্মার শিবচর, জাজিরা পাড়ের জনপ্রতিনিধি, প্রশাসনসহ সেতু বিভাগ, সেতু কর্তৃপক্ষ, পরামর্শক প্রতিষ্ঠান সেনাবাহিনীসহ সংশ্লিষ্টদের নিয়ে সভা করেন।
তিনি সেতু এলাকার বিভিন্ন স্থাপনা সরিয়ে নেয়ার খোঁজখবর নিয়ে দ্রুততার তাগাদা দেন।