সাকিব আল হাসানের বিরুদ্ধে শাস্তির এ সিদ্ধান্ত বোর্ডের অপাশেদারী মনোভাবেরই বহিঃপ্রকাশ বলে জানান ক্রিকেটার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোশিয়েশন্স অব বাংলাদেশের (কোয়াব) সাধারণ সম্পাদক দেবব্রত পাল।
তিনি আরো বলেন, কোনো নির্দিষ্ট কারণ ছাড়াই শাস্তি দেয়া হয়েছে তাকে।
আবার সাবেক ক্রিকেটারদের কেউ কেউ এ সিদ্ধান্তকে সঠিক বলে মানলেও- শাস্তির মাত্রা একটু বেশিই হয়ে গেছে বলে অভিমত তাদের।
দেশসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানের বিরুদ্ধে শাস্তির বিষয়টি মিশ্রভাবে দেখছেন তার ভক্তরা। অনেকেই এটাকে বোর্ডের বাড়াবাড়ি বলে মনে করছেন।
শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে ছয় মাসের জন্য সব ধরনের ক্রিকেট থেকে নিষিদ্ধ হন বাংলাদেশ দলের তারকা সাকিব আল হাসান। ২০১৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ভিনদেশি ঘরোয়া লিগগুলোতে খেলার অনুমতি পাবেন না তিনি।
ছাড়পত্র না নিয়েই ক্যারিবিয়ান ক্রিকেট লিগে খেলতে যাওয়ায় ও জাতীয় দলের কোচ চন্ডিকা হাথুরুসিংহের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের অভিযোগে সোমবার জরুরি বোর্ড সভা শেষে সাকিবের বিরুদ্ধে এ ব্যবস্থা নেয় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।
দেশসেরা অলরাউন্ডারের এ শাস্তিকে ভিন্নভাবে দেখে ভক্তরা দেশ টিভিকে বলেন, বোর্ডের পলিটিকসের শিকার সাকিব।
শৃঙ্খলা ভঙ্গের কারণে সাজার সিদ্ধান্ত ঠিক হলেও সাজার মাত্রা একটু বেশি হয়ে গেছে বলে মনে করছেন ক্রিকেট প্রেমিরা। সেইসঙ্গে বোর্ড ম্যানেজমেন্টসহ অন্যান্য সমস্যাগুলোও সমাধানের কথা জানান তারা।