পার্বত্য চট্টগ্রামে মানুষের মতামত প্রকাশের স্বাধীনতা নেই— তাদের অভিযোগের বিষয়ে নিরাপদে খোঁজখবর নেয়ার অধিকারও নেই বলে মন্তব্য করেছে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক আন্তর্জাতিক কমিশন-সিএইচটি।
মঙ্গলবার সফরের উল্লেখযোগ্য বিষয়াদি তুলে ধরতে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে করেন পার্বত্য চট্টগ্রাম আন্তর্জাতিক বিষয়ক কমিশনের সদস্যরা।
এ সময় কমিশনের সদস্য ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন সংস্থা, নিরাপত্তা বাহিনী ও ভূমিদস্যুরা পাহাড়ি জমি দখল করে নিচ্ছে যারা শান্তিচুক্তির বাস্তবায়ন চায় না।
সংবাদ সম্মেলন কমিশনের পক্ষে থেকে জানানো হয়, পাহাড়ের জমির বড় অংশই পাহাড়ি ও বাঙালিদের হাতে নেই।
রাঙ্গামাটিতে কমিশনের গাড়িতে হামলার সময় পুলিশ ব্যবস্থা নেয়নি বলেও অভিযোগ করেন সিএইচটির কো-চেয়ারপারসন সুলতানা কামাল।
রাঙ্গামাটিতে সিএইচটি কমিশনের ওপর হামলার ঘটনায় ‘সমঅধিকার আন্দোলন’ নামের একটি সংগঠনসহ ৬টি বাঙালি সংগঠনকে দায়ী করে কমিশনের কো-চেয়ারপরসন সুলতানা কামাল বলেন, পুলিশ প্রশাসন হামলাকারীদের বাধা দেয়নি।
এ সঙ্কট সমাধানে পাহাড়িদের জমি দখল বন্ধে দখলকারিদের প্রশাসনিক চাপ প্রয়োগ, জমি অধিগ্রহণের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্টদের পর্যাপ্ত ক্ষতিপূরণ দেয়াসহ কয়েকটি সুপারিশ তুলে ধরে কমিশন।
সম্প্রতি খাগড়াছড়ির দীঘিনালার বাবুছড়া এলাকায় বিজিবির সদরদপ্তর স্থাপনকে কেন্দ্র করে পাহাড়ি ও বিজিবি সদস্যদের মধ্যে উত্তেজনা ও উদ্ভূত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ পরিস্থিতে পর্যবেক্ষণে পার্বত্য চট্টগ্রাম পরিদর্শনে যায় পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক আন্তর্জাতিক কমিশন-সিএইচটির প্রতিনিধি দল। সফরের সময় রাঙ্গামাটিতে ‘সমঅধিকার আন্দোলন’ নামের একটি বাঙালি সংগঠনসহ কয়েকটি সংঠনের হামলার শিকার হয়ে সফর শেষ না করেই ফিরে আসে তারা।