আমদানি-রপ্তানি প্রক্রিয়ায় অটোমেশন পুরোপুরিভাবে বাস্তবায়ন না হওয়ায় চট্টগ্রাম বন্দর ও কাস্টম হাউজে প্রতিদিন ৪৭ লাখ টাকার বেশি অবৈধ লেনদেন হচ্ছে। সোমবার রাজধানীর ব্র্যাক সেন্টার ইন- এ আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) এ প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, স্বার্থান্বেষী মহলের যোগসাজশ ও সরকারের সদিচ্ছার অভাবকেই চট্টগ্রাম বন্দর এবং কাষ্টমস হাউজে অনিয়মের জন্য দায়ী। আর অটোমেশন প্রক্রিয়া পুরোপুরি বাস্তবায়ন করতে না পারলে দুর্নীতি আরো বেড়ে যাবে।
এ সম্পর্কে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, কাস্টম হাউজের কর্মকর্তাদের ব্যক্তিগত সহায়তাকারী হিসেবে অবৈধভাবে একটি গ্রুপ কাজ করে। যারা সেবা গ্রহীতাদেরকে জিম্মি করে অবৈধভাবে অর্থ আদায় করে থাকে। যার পরিমাণ প্রতিদিন প্রায় ৪৭.৫ লাখ টাকা।
টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ‘কর্মকর্তা-কর্মচারীদের একাংশকে দায়িত্ব নিতে হবে। তারা তাদের প্রয়োজনে নামে বা সহায়তার নামে এ সুবিধাগুলো আদায় করতে পারবে। সরকারে যদি স্বইচ্ছা থাকে ও আইনের যথাযথ প্রয়োগ থাকে তাহলে সব প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হবে।’
এছাড়া, চট্টগ্রাম বন্দর ও শুল্ক কর্তৃপক্ষের মধ্যে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা গেলে এ ধরনের অনিয়ম বন্ধ করা সম্ভব বলেও জানান টিআইবির নির্বাহী পরিচালক।