ঈদ উপলক্ষে দেশের উত্তর, দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ৬০টি রুটে মঙ্গলবার দ্বিতীয় দিনের মতো বাসের আগাম টিকিট বিক্রি চলছে। ১৪ জুলাই থেকে ১৭ জুলাই পর্যন্ত বাসের টিকিট বিক্রি চলবে। তবে কাউন্টারগুলো ছিল একেবারে ফাঁকা। বেশিরভাগ কাউন্টারে টিকিট শেষ হয়ে গেছে বলে জানানো হয়।
রাজধানীর গাবতলী, মহাখালী ও সায়েদাবাদসহ বিভিন্ন টার্মিনালে টিকিট বিক্রিতে কোনো অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া যায়নি। প্রথম দিন টিকিট প্রত্যার্শীদের ভিড় থাকলেও দ্বিতীয় দিন দেখা গেছে একেবারে উল্টো চিত্র। এর কারণ হিসেবে যাত্রীরা বলছেন, টিকিট এর দাম অনেক বেশি।
তবে বিক্রেতারা বলছেন, ঢাকা থেকে সাতক্ষীরা যাওয়ার সময় পুরো আসনে যাত্রী পওয়া যায় তবে ফেরার পথে কোনো যাত্রী থাকবেন না। তাই টিকিটের দাম না বাড়িয়ে তাদের কোনো উপায় নেই।
একই অবস্থা উত্তরবঙ্গের শীতাতপনিয়ন্ত্রিত বাসেও। রাজশাহী, রংপুর ও পঞ্চগড়ের শীতাতপনিয়ন্ত্রিত বাসের টিকিটেরও দাম বাড়িয়েছে হানিফ পরিবহন। স্বাভাবিক সময়ে এসি বাসের একটি টিকিটের দাম ছিল ৮০০ টাকা। ঈদের জন্য ৬০০ টাকা বাড়িয়ে সেটি এক হাজার ৪০০ টাকা করা হয়েছে।
এছাড়া, খুলনাগামী একে ট্রাভেলস পরিবহনের শীতাতপনিয়ন্ত্রিত বাসের একটি টিকিটের দাম ৯০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে করা হয়েছে এক হাজার ৩০০ টাকা। তবে ১১ জুলাই একই রুটে গ্রিন লাইন পরিবহনের এসি বাসের টিকিট বিক্রি হয়েছে এক হাজার ১০০ টাকায়। অবশ্য ২৩ জুলাই থেকে তাদের কোনো টিকিট নেই। এ ব্যাপারে বাংলাদেশ বাস-ট্রাক ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের ফোন নম্বরে যোগাযোগ করা হয়। কিন্তু নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়।
এদিকে, উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন রুটে চেয়ার কোচের টিকিটের দাম বাড়ানো হয়েছে দেড় থেকে ২০০ টাকা। দিনাজপুরের ফুলবাড়ীর রুটে ৪৫০ টাকার টিকিট বিক্রি করা হয়েছে ৬৩০ টাকায়। খুলনা, সাতক্ষীরা, যশোর রুটে টিকিটপ্রতি ৫০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৬৭০ টাকা করা হয়েছে। কুষ্টিয়ায় হানিফ পরিবহনে বাসের টিকিট মূল্য ৪৫০ থেকে বাড়িয়ে করা হয়েছে ৫০০ টাকা। তবে সব পরিবহন কর্তৃপক্ষের দাবি, মালিক সমিতির নির্ধারিত মূল্যে তাঁরা টিকিট বিক্রি করছেন।