দেশের সড়ক-মহাসড়ক যান চলাচলের উপযোগী— তবে ঈদের পরিস্থিতি মোকাবেলার জন্য জেলা, উপজেলা প্রশাসন, ট্রাফিক পুলিশ ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সমন্বিত পদক্ষেপ প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন যোগাযোগামন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
মঙ্গলবার বিকেলে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের কোনাবাড়ি সড়ক পরিদর্শনে শেষে এসব কথা বলেন তিনি।
এ সময় তিনি আরও বলেন, দেশে বর্ষাকাল ও মহাসড়কে ওভারলোড একসাথে চলে। ফলে রাস্তা লোড সামলাতে না পেরে নষ্ট হয়ে যায়। এজন্য আগামী অর্থ বছর থেকে দেশের সকল রাস্তা কংক্রিটে নির্মাণ করা হবে।
এ সময় মন্ত্রী আরো বলেন, গত কয়েকটি ঈদের তুলনায় এবার মানুষ স্বাচ্ছন্দে ঘরে ফিরতে পারবেন।
তবে মন্ত্রীর পরিদর্শনের আগে আজও কোনাবাড়ির ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে তড়িঘরি ও জোড়াতালি দিয়ে সংস্কার কাজ চালাতে দেখা গেছে। রাস্তার কোথাও কোথাও পানি সেচে ইট বালি খোয়া ফেলে রাস্তা সংস্কার করা হয়েছে।
এদিকে সকালে সারাদেশের সড়ক-মহাসড়ক সংস্কারের কাজ প্রায় শেষপর্যায়ে--জানিয়ে যোগাযোগমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, নির্মাণাধীন চার লেন সড়কের অংশে শিগগিরই মোবাইলকোর্ট বসানো হচ্ছে। রাজধানীর ফার্মগেট এলাকার যানজট পরিস্থিতি দেখতে গিয়ে তিনি এ কথা বলেন।
এ সময় ঈদ সামনে রেখে অতিরিক্ত যাত্রী পরিবহনে আরো ৫০টি বিআরটিসি বাস নামানো হবে বলেও জানান মন্ত্রী।
যত্রতত্র গাড়ি পার্কিং, নিবন্ধনে জটিলতা, ফিটনেসবিহীন গাড়ি চলাচল আর মোটরসাইকেল চলাচলই যানজটের কারণ—এ কথা উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, ঈদের পরেই আমদানিতে ছোট গাড়ি কমিয়ে বড় গাড়ি বাড়ানো আর নিবন্ধন প্রক্রিয়া সংস্কার করা হবে।
পরে তিনি মোটরসাইকেল চলাচলে গণসচেতনতা মূলক প্রচারণা ও ভ্রাম্যমান আদালতের কাযক্রম দেখেন।