পবিত্র শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা গেলে আগামীকাল উদযাপিত হবে পবিত্র ঈদুল ফিতর। সোমবার চাঁদ দেখা নিশ্চিত করতে সন্ধ্যায় ইসলামিক ফিউন্ডেশনের বায়তুল মোকাররম মসজিদ সভাকক্ষে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির বৈঠকে বসবে।
সভায় ১৪৩৫ হিজরি সনের চাঁদ দেখার সংবাদ পর্যালোচনা করে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয়া হবে। চাঁদ দেখা গেলেই ঘরে ঘরে আজ থেকে শুরু হবে উৎসবের আয়োজন।
ইতিমধ্যে রাজধানীর জাতীয় ঈদগাহ মাঠসহ সারা দেশের ঈদগাহ ময়দানগুলোকে প্রস্তুত করে তোলা হয়েছে ঈদের নামাজের জন্য। আজ চাঁদ না দেখা গেলে পরশু বুধবার ঈদুল ফিতর পালিত হবে।
এদিকে, সৌদী আরবের সঙ্গে মিল রেখে ঈদুল ফিতর উৎযাপন করছে রাজধানী ঢাকাসহ ভোলা, সিলেট, ফেনী, দিনাজপুর, মৌলভীবাজার, শরীয়তপুর, পিরোজপুর, চাঁদপুর, মাদারীপুর ও লক্ষ্মীপুরের মানুষ। ঈদ জামাতে অংশ নিয়েছে শতাধিক গ্রামের কয়েক লাখ মানুষ।
রাজধানীর মালিবাগ চৌধুরী পাড়ায় সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ঈদ উৎযাপন করেছেন অনেকেই। সোমবার সকালে এলাকার খানকায়ে সুরেশ্বরীতে ঈদের জামাতে অংশ নেন প্রায় শ'খানেক মানুষ। আর্ন্তজাতিক চাঁদ দেখা কমিটির হিসাব ও সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ঈদ উদযাপন করেন তারা। নোয়াখালীর ৭টি গ্রামের মানুষ ঈদের জামাতে অংশ নেন।
এছাড়াও আগাম ঈদ উৎযাপন করছেন ফেনী, শরীয়তপুর, পিরোজপুর, দিনাজপুর, চাঁদপুর, বরগুনা, মাদারীপুর, লক্ষ্মীপুর, মৌলভীবাজার ও ভোলার বিভিন্ন উপজেলার লক্ষাধিক মানুষ।
ঈদ উৎযাপন করছেন শরীয়তপুরের সুরেশ্বর পিরের ভক্ত অনুসারীসহ, জেলার প্রায় ৩০ গ্রামের ১২শ পরিবার। এছাড়াও দিনাজপুর এবং মৌলভীবাজারের বিভিন্ন জায়গায় আগাম ঈদুল ফিতর পালন করা হচ্ছে।
এদিকে, ঈদ-উল-ফিতরের জামাত অনুষ্ঠানের জন্য এখন প্রস্তুত ঈদগাহগুলো। এ উপলক্ষ্যে দেশের বিভাগীয় ও জেলা শহরের প্রধান প্রধান জামাতের নিরাপত্তায় জোরদার ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।
রাজধানীসহ বিভাগীয় শহর খুলনা, রাজশাহী এবং সিলেটেও ঈদের জামাতের জন্য প্রস্তুত ঈদগাহ ময়দানগুলো। ঈদ উপলক্ষ্যে মাঠগুলো সাজানো হয়েছে সুদৃশ্য প্যান্ডেলে। আবহাওয়ার কথা মাথায় রেখে মসজিদগুলোতে রাখা হয়েছে ঈদ জামাতের বিকল্প ব্যবস্থা।
ঈদের প্রস্তুতি হিসেবে বরিশালের হেমায়েতউদ্দিন ঈদগা ময়দান ঢেলে সাজানো হয়েছে। বরিশালের এখানেই হবে প্রধান ঈদ জামাত সকাল সাড়ে আটটায়।
রাজবাড়ী ও নড়াইলেও ঈদ উপলক্ষে সাজানো হয়েছে ঈদগাহ ময়দানগুলো। কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়া ময়দানে দেশের সবচেয়ে বড় ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হবে সকাল ১০টায়।