জাতীয়

জাতীয় শোক দিবস আজ

 বঙ্গবন্ধু
বঙ্গবন্ধু

আজ ১৫ আগস্ট, জাতীয় শোক দিবস। প্রায় চার দশক আগে ১৯৭৫ সালের এ দিনে ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু ভবনে সভ্যতার জঘন্যতম নির্মমতার ইতিহাস রচিত হয়েছিল। শেষরাতে সেনাবাহিনীর একটি পথভ্রষ্ট ঘাতকচক্র মুক্তিযুদ্ধে পরাজিত রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়াশীলদের চক্রান্তে নৃশংসভাবে হত্যা করে হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ তার পরিবারের প্রায় সব সদস্যকে।

স্বাধীনতা অর্জনের মাত্র সাড়ে ৩ বছরের মাথায় এমন ঘটনা স্তব্ধ করে দিয়েছিলো বিশ্ববাসীকে। হোঁচট খেয়েছিল সদ্য স্বাধীন দেশের অগ্রযাত্রা। শুরু হয়েছিল নীলনকশা আর হত্যা-ক্যু'র রাজনীতি। মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে সাম্প্রদায়িকতা। শুরু হয় নব্য এ রাষ্ট্রটিকে পেছনের দিকে টেনে নিয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়া।

গোপালগঞ্জ জেলা কোর্টের সেরেস্তাদার শেখ লুৎফর রহমানের ৬ সন্তানের মধ্যে তৃতীয় মুজিবকে খোকা নামেই ডাকতেন সবাই। কিন্তু কেউ কি জানতো সেই খোকাই বাঙালিকে একদিন তার নিজস্ব মানচিত্র এনে দেবে?

১৯২০ সালের ১৭ মার্চ থেকে '৭৫ এর ১৫ আগস্ট ৫৫ বছরের টান টান এক কিংবদন্তি। জীবনের পরতে পরতে শুধু লড়াই আর সংগ্রাম। যার প্রাপ্তি বাংলাদেশ।

বাঙ্গালি মুক্তির প্রতিটি আন্দোলনের প্রাণপুরুষ তিনি। এদেশের মানুষের অধিকার আদায়ে তার কণ্ঠ এতুটুকুনও কাঁপেনি কোনোদিন। যে মানুষটি জীবনের বেশিরভাগ সময় জেলে কাটিয়ে মৃত্যুর হুলিয়া সামনে নিয়ে দেশকে শত্রুমুক্ত করার লড়াইয়ে নেতৃত্ব দিয়েছেন, মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে দেশ স্বাধীনের সাড়ে ৩ বছরের মাথায় তাকেই নির্মম হত্যাকাণ্ডের শিকার হতে হয়।

কতিপয় রাজনৈতিক কুচক্রীর যোগসাজসে সেনাবাহিনীতে ঘাপটি মেরে থাকা একটি ষড়যন্ত্রী গোষ্ঠী শুধু জাতির পিতাকেই হত্যা করে থেমে থাকেনি। নির্বংশ করে দিতে চেয়েছে বঙ্গবন্ধু পরিবারকে। শুধু সেদিন দেশে না থাকায় তার দুই কন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা প্রাণে বেঁচে যান।

বিশ্লেষকরা বলছেন, ১৫ আগস্ট, রাতারাতি পাল্টে দেয় এদেশের রাষ্ট্রযন্ত্রকে। উল্টোপথে চলে যায় বাংলাদেশ। মুখ থুবড়ে পড়ে গণতন্ত্র। প্রগতির পথে চেপে বসে সাম্প্রদায়িকতা।

টানা দুই দশকের জলপাই শাসন সমাজকে এতোটাই কলুষিত করে যে সেই পথ থেকে রাজনীতি কিছুটা সরে এলেও গণতন্ত্রের পথে এ দেশের সঙ্কট এখনো কাটেনি।

বঙ্গবন্ধুর হত্যাকাণ্ড শুধু কয়েকজন বিপথগামী রাজনীতিক ও সেনা কর্মকর্তার ব্যক্তিগত আক্রোশ মেটানোর ঘটনা নয়, দেশীয় চক্রান্তের সঙ্গে এতে সক্রিয় ছিল একটি সুগভীর আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র।

যারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বাঙালি ও বাংলাদেশের অগ্রযাত্রাকে রুখতে চেয়েছিল। কিন্তু অসাম্প্রদায়িকতা, প্রগতিশীল মননকে লালন করে যে বাংলাদেশের মানুষ, তাকে রুখে সাধ্য কার?

দেশটিভি/টিআরটি
দেশ-বিদেশের সকল তাৎক্ষণিক সংবাদ, দেশ টিভির জনপ্রিয় সব নাটক ও অনুষ্ঠান দেখতে, সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল:

এছাড়াও রয়েছে

সিলেটে ভোক্তা অধিদপ্তর ও সিসিএস-এর সচেতনতামূলক সভা

ট্রাফিক আইন মেনে চলার সংস্কৃতি গড়ে তুলুন: প্রধানমন্ত্রী

চোরাগলি দিয়ে সরকার উৎখাতের সুযোগ নেই: ওবায়দুল কাদের

এক বছরে সড়ক দুর্ঘটনা ৫৩৭১, মৃত্যু ৬২৮৪ জনের

খুলনায় দুই দিনের ‘পরিবহন ধর্মঘট’ চলছে

২৫ অক্টোবর আংশিক সূর্যগ্রহণ

ভোজ্যতেল নিয়ে বাণিজ্যমন্ত্রীর কড়া হুঁশিয়ারি

সুদানে জাতিগত সংঘর্ষ নিহত অন্তত ১৫০

সর্বশেষ খবর

স্টেট ব্যাংক অফ ইন্ডিয়ার নারী দিবস উদযাপন

শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ করলেন মোস্তাফিজুর রহমান

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘ইউল্যাব’ শিক্ষার্থীদের ফটোওয়াক

ভান্ডারিয়া ও মঠবাড়িয়ায় পৌর প্রশাসক নিয়োগ