সাগরে খনিজ সম্পদ আহরণে একটি কোম্পানিকে বেশি ব্লক না দিয়ে কোম্পানির সংখ্যা বাড়িয়ে নতুন করে দরপত্র আহ্বানের নির্দেশ দিয়েছন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
বুধবার নিজ কার্যালয়ে কৌশলগত পরিকল্পনা গ্রহণ ও অ্যাকশন প্ল্যান প্রণয়ন বিষয়ক সভায় এ নির্দেশনা দেন তিনি।
এ সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, গবেষণা ও জরিপের মাধ্যমে বাংলাদেশের সমুদ্রসীমায় কি কি সম্পদ রয়েছে তা নিশ্চিৎ করতে হবে।
শেখ হাসিনা বলেন, ‘এ যে বিশাল সমুদ্ররাশি পাওয়া গেছে সেটাকে কিভাবে কাজে লাগানো হবে— এবং এটা করার আগে আমরা কিন্তু, নেভির জন্য ফিগেট কেনা, এয়ারফোর্সের জন্য মিগ কেনা হয়েছে, কক্সবাজারে বিমান ঘাঁটি এবং রামুতে সেনাবাহিনীরও একটি ঘাঁটি করে হয়েছে। কারণ কোনো কাজ করতে হলে অনেক আয়োজন করে নিতে হয়। তাই এ আয়োজন করেই আমাদের একটি কৌশল নির্ধারণ করতে হবে। কোন কোন সেক্টরকে আমরা গুরুত্ব দেব এবং সেই জায়গায় আমরা কী কী পদক্ষেপ নেব।’
অর্জিত বিশাল এ সমুদ্রসীমার সম্পদ রক্ষা ও জনগণের কল্যাণে কাজে লাগানোর জন্য যথাযথ কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী।
সমুদ্রসীমায় সম্পদ আহরণ ও সুষ্ঠ ব্যবস্হাপনার লক্ষে কৌশলগত পরিকল্পনা ও অ্যাকশন প্ল্যান প্রণয়নে নিজ কার্যালয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
শেখ হাসিনা বলেন, ‘বাংলাদেশ বিশাল একটি সম্পদের অধিকার অর্জন করেছে। তাই এটাকে আমরা কিভাবে কাজে লাগাবো? কারণ সমুদ্রে খনিজ পদার্থ রয়েছে, তেল-গ্যাস অনুসন্ধান করতে হবে আমাদের, মৎস আহরণ করতে হবে এবং অন্যান্য বহু সম্পদ আছে সেগুলোরও কিভাবে আমারা আহরণ করবো। তাই সমুদ্র সীমানাকে রক্ষা করে এ সম্পদগুলো আমাদের কাজে লাগাতে হবে।’
সভায় সমুদ্র সম্পদ আহরণ, রক্ষা ও যথাযথভাবে জনগণের কল্যাণে কাজে লাগানোর বিষয়ে বিভিন্ন কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরেন তিনি।
সমুদ্র সম্পদের নিরাপত্তা নিশ্চিৎ করতে নৌ-বাহিনীসহ নিরাপত্তা বাহিনীকে শক্তিশালী করার নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী।
উন্নত গবেষণা ও সমুদ্র জরিপের মাধ্যমে বাংলাদেশের সমুদ্রসীমায় কি কি সম্পদ রয়েছে তা নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অর্জিত বিশাল এ সমুদ্রসীমার সম্পদ রক্ষা ও জনগণের কল্যাণে কাজে লাগানোর ব্যবস্থা করতে হবে।