তোবা গ্রপের ৫টি তৈরি পোমাক কারখানা আবারো চালাতে চায় মালিক দেলোয়ার হোসেন আর এ জন্য বিনা জামানতে স্বল্পসুদে ২৫ কোটি টাকা ঋণ সহায়তা প্রদানের আবেদন জানিয়েছেন ব্যাংক, বীমা ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কাছে। রোববার রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ আবেদন জানান।
এর পাশাপাশি তাজরিন ফ্যাসনসে অগ্নিকান্ডের ক্ষয়ক্ষতি বাবদ সংশ্লিষ্ট বীমা কোম্পানীর কাছে ১৮ কোটি টাকা ক্ষতিপুরণ দাবি করেছেন দেলোয়ার হোসেন। তবে এ মুহুর্তে তোবার শ্রমিক-কর্মচারিদের বকেয়া ঈদ বোনাস দেওয়ার সামর্থ তার নেই বলেও তিনি দাবি করেছেন।
তোবার শ্রমিক কর্মচারিদের বকেয়া বেতন-ভাতা প্রদান নিয়ে অনেক নাটক হাঙ্গামার পর এ প্রথম গণমাধ্যমের সামনে এলেন তোবার মালিক দেলোয়ার হোসেন। কান্না জড়িত কণ্ঠে জানালেন আবারও ঘুরে দাঁড়ানোর আকুতি।
তবে দেলোয়ারের দাবি. ২০১২ সালের ২৪ নভেম্বর তাজরিন ফ্যাসনসের আগুনের ক্ষতো তো শুকায়ইনি বরং তার জেরেই এখন তিনি নিঃস্ব প্রায়।
এছাড়া, তৈরি পোশাক খাতে তার দীর্ঘ দিনের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে, স্বপ্ন দেখছেন আবারও পুরোদমে কারখানা চালু করার। আর এর জন্য যে পরিমাণ অর্থের প্রয়োজন, তার সংস্থান করা তার পক্ষে সম্ভব নয় বলে জানান দেলোয়ার হোসেন।
তিনি বলেন, তাজরিন ফ্যাসনসে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় তার জেলে যাওয়ার কারণেই তোবা গ্রপের বেতন-ভাতা নিয়ে সমস্যা তৈরি হয়। এ ঘটনায় ক্রেতা প্রতিষ্ঠানগুলো তার থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে।
তিনি অভিযোগ করে আরো বলেন, সিআইডির প্রতিবেদনের পরেও তাজরীন ফ্যাসনসের অগ্নিকাণ্ডের ক্ষতিপুরণ দেয়নি বীমা কোম্পানি। আর তোবার শ্রমিকদে বকেয়া ঈদ বোনাস দেয়ার সামর্থ নেই।