ভারত ও বাংলাদেশ সীমান্ত এলাকায় হতাহতের ঘটনা শূন্যের কোঠায় নিয়ে আসার ব্যাপারে ঐকমত্যে পৌঁছেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)।
মঙ্গলবার রাজধানীর পিলখানায় সদরদপ্তরে সংবাদ সম্মেলনে বিজিবির মহাপরিচালক (ডিজি) মেজর জেনারেল আজিজ আহমেদ সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, বৈঠকে সীমান্ত ব্যবস্থাপনা নিয়ে বিজিবি-বিএসএফের সদস্যে যৌথ প্রশিক্ষণ ছাড়াও কিশোরী ফেলানী হত্যার মামলাটির পুনঃতদন্তের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিএসএফ। এ বিষয়ে বিজিবির পক্ষ থেকে সমর্থন জানানো হয়েছে।
সীমান্তের নজরদারি বাড়ানোর পাশাপাশি সীমান্ত হত্যা বন্ধের জন্য দুই দেশের মধ্যে আলোচনা হয়েছে— এ কথা জানিয়ে আজিজ আহমেদ বলেন, দুই দেশের মধ্যে সীমান্ত ব্যবস্থাপনা নিয়ে যৌথ প্রশিক্ষণের প্রস্তাব দিয়েছে বিএসএফ। তারিখ ঠিক না হলেও বিজিবি এ প্রস্তাবে সায় দিয়েছে।
বাংলাদেশের আপত্তির পরিপ্রেক্ষিতে কিশোরী ফেলানী হত্যা মামলাটি আবারো তদন্তের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিএসএফ আর তাই নতুন করে ফেলানীর বাবা ও মামার সাক্ষ্য নেবেন তারা জানান বিজিবির মহাপরিচালক।
ভারত বিচ্ছিন্নতাবাদীদের অবৈধ স্থাপনার তালিকা দিয়েছে— এ কথা উল্লেখ করে বিজিবি মহাপরিচালক বলেন, বাংলাদেশ দিয়েছে সীমান্ত লাগোয়া অবৈধ মাদকদ্রব্যের কারখানার তালিকা।
প্রসঙ্গত, ভারতের সঙ্গে ৪১৫৬ কিলোমিটারের বিশাল সীমান্ত রয়েছে বাংলাদেশের। এ বিশাল সীমান্ত দিয়ে মাদকদ্রব্য চোরাচালান, অবৈধ অস্ত্র আনা-নেয়াসহ মানুষ পাচারের মতো ঘটনাও ঘটে। প্রায়শই সীমান্ত এলাকায় ঘটে হতাহতের ঘটনা। এরকম বাস্তবতায় দিল্লিতে গত ২১ আগস্ট থেকে ৫ দিনব্যাপী বিজিবি-বিএসএফ মহাপরিচালক পর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।