বর্তমান সরকারের সময়োপযোগী উদ্যোগের কারণেই সমুদ্রসীমানায় অধিকার প্রতিষ্ঠা করেছে বাংলাদেশ— এর আগে কোনো সরকারই এ উদ্যোগ নেয়নি বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বুধবার জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন।
শেখ হাসিনা বলেন, ভারতের সঙ্গে ২৫ হাজার ৬০২ বর্গকিলোমিটার বিরোধপূর্ণ সমুদ্র এলাকার মধ্যে আন্তর্জাতিক সালিশি ট্রাইব্যুনাল বাংলাদেশকে ১৯ হাজার ৪৬৭ বর্গকিলোমিটার এলাকা দিয়েছে। এখন সমুদ্রে মৎস্য শিকার, তেল-গ্যাস অনুসন্ধান, সমুদ্রসীমা রক্ষাসহ সব অধিকার সুরক্ষায় কৌশলগত পরিকল্পনা গ্রহণ করা হচ্ছে।
এছাড়া, পার্বত্য এলাকার মানুষের জীবনমান উন্নয়নে পার্বত্য শান্তি চুক্তি বাস্তবায়নসহ ৩ পার্বত্য জেলার অবকাঠামোগত উন্নয়নে সরকার কাজ করে যাচ্ছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
সংসদে প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তরপর্বে তিনি অভিযোগ করেন, বিএনপি-জামাত শান্তি চুক্তির বিরোধিতা করেছিল।
শেখ হাসিনা বলেন, পার্বত্য অঞ্চলের সার্বিক উন্নয়নের নানা দিক তুলে ধরে ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তিসহ অবকাঠামোগত উন্নয়ন বাস্তবায়নে সরকার যথাযথ পদক্ষেপ নিচ্ছে।
তারকাচিহ্নিত প্রশ্নে, সমুদ্র সম্পদের যথাযথ ব্যবহারের মাধ্যমে আর্থ-সামিজিক উন্নয়নের ওপরও জোর দেন সংসদ নেতা।
এ সময় অত্যন্ত স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় সকল অংশীজনদের সঙ্গে সময় নিয়ে আলোচনার করে জাতীয় সম্প্রচার নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে‑ এ কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, নীতিমালার খসড়া ২১ দিন তথ্য মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে দেওয়া ছিল। এখন বিভিন্ন সমালোচকরা যেসব প্রশ্ন তুলছেন, তখন এসব প্রশ্ন উত্থাপন করা হয়নি।
এর আগে বিকেল ৫টায় স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদের বৈঠক শুরু হয়।