জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনজো আগামী শনিবার বাংলাদেশ সফরে আসছেন আবেন। শিনজো আবের সফরকে ঘিরে বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগ ও রপ্তানি বৃদ্ধির বিষয়টি বিশেষ গুরত্ব সহকারে বিবেচনা করছে বাংলাদেশ।
বৃহস্পতিবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এএইচ মাহমুদ আলী সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, জাপানে ঘোষিত ইশতেহার অনুযায়ী প্রকল্প প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন নিয়ে বিশদ আলোচনা হবে। গুরত্ব পাবে জ্বালানি, বিদ্যুৎ, অটোমোবাইল ও তথ্য প্রযুক্তি খাতে জাপানি বিনিয়োগের বিষয়টি।
এএইচ মাহমুদ আলী বলেন, ‘আমরা আশা করছি জাপানি বিনিয়োগকারীগণ বাংলাদেশে জ্বালানি, বিদ্যুৎ উৎপাদন, অবকাঠামো উন্নয়ন, তথ্য-প্রযু্ক্তি খাত, টেক্সটাইল ও তৈরি পোশাক, ফারমাসিটিকাল্স এবং অটোমোবাইলসহ অন্যান্য গুরুত্ব পূর্ণ খাতে বিনিযোগে উৎসাহিত হবে।’
শেখ হাসিনার আমন্ত্রণে ১৪ বছর পর জাপানের প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশে আসাতে দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কে আরো জোরদার করবে বলে আশা করছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
এএইচ মাহমুদ আলী আরো বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সাম্প্রতিক জাপান সফরে দুই দেশের বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিপ সম্পর্কে একটি নতুন কম্প্রিহেনসিভ পার্টনার শিপ পর্যায়ে উন্নিত করা হয়েছে। জাপানের প্রধানমন্ত্রীর বাংলাদেশ সফরে এ সার্বিক অংশিদারিত্বমূলক সম্পর্কে আরো বেগবান করবে বলে আমরা আশাবাদী।’
এদিকে, জাপানের প্রধানমন্ত্রীর দুই দিনে ব্যস্ত সফরসূচিতে রাষ্ট্রপতি অ্যাডভোকেট আবদুল হামিদ এবং সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা রওশন এরশাদের সঙ্গেও সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন।
৭ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ ত্যাগ করবেন জাপানি প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে।
উল্লেখ্য, গত ২৪ মে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জাপান সফরের পর ফিরতি সফরে আসছেন জাপানি প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রীর সেই সফরে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরো জোরদার করার লক্ষ্যে একটি যৌথ ইশতেহার ঘোষণা করা হয়।