বাংলাদেশে সরাসরি আল কায়েদার কোনো নেটওয়ার্ক নেই বলে মনে করেন বাংলাদেশের গোয়েন্দারা। তবে দেশে যেসব নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন রয়েছে তাদের কেউ কেউ ব্যক্তিগতভাবে আর ক্বায়েদার নেতৃত্বের সঙ্গে ইতোপূর্বে যোগাযোগের চেষ্টা করেছিল ।
আল কায়েদা নেতা আয়মান জাওয়াহিরির সর্বশেষ ভিডিও বার্তা প্রসঙ্গে পুলিশ বলছে, জাওয়াহিরির বক্তব্যের সত্যতা যাচাইয়ের পাশাপাশি জঙ্গিরা যাতে মাথা চাড়া দিতে না পারে সে ব্যাপারে পুলিশ সতর্ক রয়েছে।
এদিকে, বিশ্লেষকরা বলেন, বাংলাদেশে আল কায়েদার নেটওয়ার্ক রয়েছে। জামাতে ইসলামী ও হরকাতুল হিজাদের মাধ্যমে তারা তাদের কার্যক্রম চালাচ্ছে। এমনকি প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরেও রয়েছে তাদের মতাদর্শের লোক।
দেশের গোয়েন্দারা জাওয়াহিরির এ বক্তব্যের সূত্র যাচাই বাছাই করছেন— বাংলাদেশে সরাসরি আল কায়েদার কোনো নেটওয়ার্ক নেই বলে মনে করেন ডিএমপি মুখপাত্র,মনিরুল ইসলাম
জাওয়াহিরির এই ভিডিও বার্তার পরে যেন নতুন করে জঙ্গিরা তৎপর হতে না পারে, সে জন্য পুলিশ সতর্ক রয়েছে বলে জানান তিনি।
এদিকে বিশ্লেষক ও গবেষক শাহরিয়ার কবির পুলিশের এ বক্তব্য মানতে নারাজ।
তিনি মনে করেন, দেশে অনেক দিন থেকেই আল কায়েদার নেটওয়ার্ক রয়েছে।
জামাত ও হরকাতুল জিহাদের মাধ্যমে কাজ করা আল কায়েদার মতাদর্শের অনেক লোক প্রশাসনেও রয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদী নেটওয়ার্ক আল কায়েদা বাংলাদেশে তৎপরতা চালাচ্ছে এমন খবর বিভিন্ন গণমাধ্যমে গত কয়েক দশক ধরেই প্রচার হচ্ছিলো। গত বুধবার আল কায়েদার বর্তমান শীর্ষ নেতা আয়মান আল জাওয়াহিরির সর্বশেষ ভিডিও বার্তায় বাংলাদেশের তরুণদেরকেও জিহাদে শরীক হওয়ার আহ্বান জানানোর পর টনক নড়ে প্রশাসনের।