ভরাট ও দূষনের ফলে বুড়িগঙ্গার আদি চ্যানেল মুমূর্ষু প্রায় উল্লেখ করে সব অবৈধ দখল উচ্ছেদের জোর দাবি জানিয়েছে পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলন (পবা)। শুক্রবার রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বুড়িগঙ্গায় বেপরোয়া ভরাট ও দূষন বন্ধের দাবিতে আয়োজিত মানব বন্ধনে এ দাবি জানায় সংস্থাটি।
হাইকোর্টের নিদের্শনা সত্ত্বেও এ উচ্ছেদ অভিযানে কালক্ষেপন করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন বক্তারা।
বুড়িগঙ্গার বাদামতলী স্টিমার ঘাট থেকে নবাবগঞ্জ পর্যন্ত পুরো তীর জুড়েই ময়লা আর্বজনার স্তুপ আর দখলদারদের দৌরাত্ব। একই চিত্র নদীর কামরাঙ্গীর চর ও কেরানীগঞ্জ অংশেও। পরিবেশবাদীরা দীর্ঘদিন ধরেই এসব বর্জ্য অপসারণ এবং দখলমুক্তের দাবি জানিয়ে আসছেন।
২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকার ক্ষমতায় এসেই বুড়িগঙ্গাসহ রাজধানীর চারপাশের নদী দূষণ ও দখলমুক্ত করার ঘোষণা দিয়ে বেশ ঘটা করে উদ্ধার কাজ শুরু করে। তবে তারপরেও বুড়িগঙ্গার অবস্থা একটুও বদলায়নি।
গৃহস্থালি, হাসপাতাল, কলকারখানার বর্জ্য আর দখলদারদের কড়ালগ্রাসে বুড়িগঙ্গা এখন মৃতপ্রায় বিষাক্ত এক জলাধার। দ্বিতীয়দফায় সরকার গঠনের পর সম্প্রতি আবারও বুড়িগঙ্গাকে বাঁচানোর তাগিদ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
স্বচ্ছ পানির বুড়িগঙ্গা নদী পেতে এবং এর রক্ষায় পবার আন্দোলন অব্যাহত থাকবে বলেও জানান বক্তারা।